Uncategorized
Trending

জীবনে সুখী হওয়ার সহজ উপায় ও সংসারে সুখী হওয়ার উপায়

সুখে থাকার উপায়

জীবনে সুখী হওয়ার সহজ উপায় : সুখ ছোট্ট একটি কথা। এই কথাটার পিছনেই আমরা ঘুরে বেড়াচ্ছি আজীবন।

প্রতিনিয়ত চেষ্টা করতেছি সুখ নামের এই পাখিটাকে ধরতে। সব সময় চেষ্টা করি কিভাবে সুখে থাকা যায়। কিন্তু আসলেই কি

আমরা সুখি হতে পেরেছি? সুখ কি আসলে আমাদেরকে ধরা দিয়েছে? আসুন আমরা আমাদের জীবনে কিভাবে সুখী হতে

পারি  এবং আমাদের জীবনে সুখ  ধরে রাখতে পারি। কিভাবে আমরা সুখ পাখিকে বসে আনতে পারি, সেই বিষয়টা আজকে

আপনাদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করবো। এমন মানুষ খুজে পাবেননা যে সুখ চায়না। পৃথিবীতে আমরা সবাই সুখ চাই,

সবাই চাই  ভালো থাকতে।  আর ভালো থাকার অপর নামই হচ্ছে সুখে থাকা । আজ আমি আপনদের সুখে থাকার গোপন

টিপস বলে দিব যেটার মাধ্যমে আপনি আজীবন সুখে থাকতে পারবেন।  আসুন আমরা আমাদের জীবনে কয়েকটি অভ্যাস

গড়ে তোলার মাধ্যমে আমাদের জীবনকে সুখময় করে গড়ে তুলি। আর দুঃখ্যকে চিরতরে দূর করি জীবন থেকে। দুঃখ

কোনদিনও আপনার ধারের কাছেও আসতে পারবে না, যদি আমার সুখী হওয়ার সহজ কৌশল টিপসগুলো আপনি ফলো

করে।

সুখে থাকার প্রয়োজনীয়তা

আমরা মানুষ হিসেবে সব সময় থাকে চাই হাসিখুশি। আর যে মানুষগুলো হাসিখুশি থাকে এবং পারিবারিক জীবনে থাকে

সুখে থাকে তাদের জীবন হয়   আনন্দময় স্বর্গের মত। আর একটি মানুষের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হলো সুখে থাকা। আর

এই সুখে থাকার জন্যই আমরা জীবনভর চেষ্টা করি। আমরা যদি সুখে থাকতে না পারি তাহলে আমাদের জীবন হয় বিষময়

। তাই একটি মানুষের জীবনে সুখে থাকা অপরিহার্য।

সুখে থাকার কৌশল

সুখী হওয়ার সহজ কৌশল
সুখী হওয়ার সহজ কৌশল

আমরা যদি সুখে থাকতে চাই, আমাদের বেশ কিছু বিষয় বা নিয়ম মেনে চলতে হবে । এই নিয়মগুলো মেনে চললেই আপনি

সহজে আপনার সংসার জীবনে, পারিবারিক জীবন  তথা রাষ্ট্রীয় জীবনে সুখী হতে পারবেন। আর আপনি একজন সুখী

মানুষ হিসেবে পরিচিত লাভ করবেন। আসুন সেই টিপস গুলো নিয়ে  আপনাদের সাথে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করবো।

  • লোভ ত্যাগ করা।
  • হিংসা পরিত্যাগ করা।
  • পরস্ত্রীকাতরতা ত্যাগ করা।
  • অল্পতে সন্তুষ্ট থাকা ।
  • সব সময় সৎ থাকা ।
  • পরিশ্রম করা।
  • আপনি যে ধর্মেরই হোনাকেন তা সবসময় পালন করা।
  • পরিবারকে ভালোবাসা।

লোভ ত্যাগ করা:

লোভ হচ্ছে এমন একটি খারাপ অভ্যাস, যেটার মাধ্যমে একজন মানুষ সর্বোচ্চ খারাপ কাজ করতে পিছপা হয় না। তাই

সুখের থাকার অন্যতম প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে লোভ । লোভ মানুষকে সর্বোচ্চ খারাপ পর্যায়ে পৌঁছে দেয়। তাই আপনি যদি

আপনার সংসার জীবনে, রাষ্ট্রীয় জীবনে, সামাজিক জীবন ব্যবস্থায় একজন সুখী মানুষ হিসেবে নিজেকে আত্মপ্রকাশ

করতে চান। তবে অবশ্যই আপনাকে লোভ মুক্ত থাকতে হবে। কোন ধরনের খারাপ লোভ যেন আপনার মধ্যে না থাকে।

তবেই আপনি হতে পারবেন একজন সুখী মানুষ।

হিংসা পরিত্যাগ করা

বিভিন্ন কারণে আমাদের, একজন আরেক জনের সাথে হিংসার সৃষ্টি হয়ে থাকে। আর এই হিংসার কারণে আমাদের মধ্যে

নষ্ট হয় সুখের। যখন মনের মধ্যে হিংসা থাকে, তখন আমাদের মনের মধ্যে সুখ থাকে। শুধু তাই নয় এই হিংসার কারণে

একজন অপরজনের সাথে লিপ্ত হয় বিভিন্ন খারাপ কাজে। যার জন্য সুখ নামের পাখিটি উড়াল দেয় । আর আমরা যদি সুখে

থাকতে চাই তবে অবশ্যই আমাদের মন থেকে চিরতরে হিংসা পরিত্যাগ করতে হবে। আপনি হিংসা পরিত্যাগ করতে পারলে

একজন সুখী মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন। অন্যথায় হিংসা রেখে আপনি কখনো জীবনে সুখী হতে

পারবেন না।

পরস্ত্রীকাতরতা ত্যাগ করা

অন্যের ভালো দেখলে আমাদের ভালো লাগে না। আমরা নিজেরা ভালো না থাকলে সবসময় চেষ্টা করি অন্য কিভাবে খারাপ

থাকবে। তাই আপনার যদি এই ধরনের খারাপ অভ্যাস থেকে আপনি কখনোই জীবনে সুখী হতে পারবেন না। তাই শুখে

থাকার জন্য আপনার এই অভ্যাসটি পরিবর্তন করতে হবে। আপনি অন্যের সুখ দেখলে আপনার সুখ অনুভব করতে হবে

তাহলে আপনি আপনার জীবনে সুখী হতে পারবেন।

অল্পতে সন্তুষ্ট থাকা

চাওয়ার যেখানে শেষ, সুখের সেখানে শুরু । আমাদের জীবনে ধন-সম্পদের প্রয়োজন আছে, কিন্তু সেই প্রয়োজন টা যেন

হয় একটা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে। আমরা যদি সবসময় মনের মধ্যে আরো চাই আরো চাই এই প্রবণতাটি রাখি, তবে জীবনেও

সুখী হতে পারব না। তাই আমাদের সবসময় সাধ্যের মধ্যে চাওয়াটি হতে হবে । তবেই জীবনে সুখী হওয়া যাবে।

সব সময় সৎ থাকা

সততা হচ্ছে উৎকৃষ্ট পন্থা। আমাদের জীবনে সুখী হতে হলে জীবনের সৎ হওয়া একান্ত অপরিহার্য । অসৎ ব্যক্তি কখনোই
সুখী হতে পারে না । তাই সুখে থাকার অপরিহার্য বিষয় হচ্ছে সৎ থাকা।

পরিশ্রম করা

এটি এমন একটি শব্দ, যে শব্দ দিয়ে গড়ে তুলতে পারেন আপনার জীবনকে। শ্রম ছাড়া কখনোই সুখ আসেনা, মানুষ যখন

পরিশ্রম করে তখন একদিকে যেমন অর্থ আসে আরেকদিকে তার মন ভাল থাকে, এবং সেই অর্থ দিয়ে ধরে রাখা যায় সুখ

নামের পাখিটি। তাই আমাদের জীবনে সুখী থাকা অপরিহার্য একটি অংশ হচ্ছে জীবনে পরিশ্রম হয় হওয়া।

আপনি যে ধর্মেরই হোনাকেন তা সবসময় পালন করা

পরিশ্রমই ধন আনে আর পুণ্য আনে সুখ। এ কথাটা কে লক্ষ্য করে বলা যায় আপনি যে ধর্মেরই হোন না কেন? আপনি
মানসিক পরিতৃপ্তি জন্য অবশ্যই আপনাকে ধর্ম করতে হবে। কারণ আমরা যারা ধর্মভীরু স্বভাবতই তাদের মন মানসিকতা
অনেক ভালো । তাই সুখে থাকার মূলমন্ত্র হচ্ছে ধর্মের সাথে নিজেকে সম্পর্কিত রাখা।

পরিবারকে ভালোবাসা

পরিবার হচ্ছে আমাদের ভালোবাসার এক বন্ধন। পরিবারকে ঘিরে আমাদের সমস্ত বেঁচে থাকা, ভালোলাগা, ভালোবাসা ।

পরিবারের মানুষজনদেরকে নিয়েই আমরা ভালো থাকার চেষ্টা করি। আর সেই পরিবারকে যদি আমরা সময় না দিয়ে সব

সময় দূরে থাকি তবে কখনো সুখী হওয়া যাবেনা। তাই পরিবারের সাথে সবসময় মিলেমিশে থেকে, ভালোবাসা বিনিময়ের

মাধ্যমেই  কেবল সুখে থাকা যায়।

বিভিন্ন বিষয় ভিত্তিক ভিডিও দেখার জন্য আমাদের চ্যানেল দেখতে পারেন সেখানে কৃষি বিষয়ক বিভিন্ন বিষয় দেখতে পাবেন।

শেষ কথা

সুখী হওয়ার যে কৌশলগুলো আপনাদেরকে বলা হলো । আপনারা যদি নিজেদের জীবনে, এই টিপস গুলো পালন করেন

তবে ১০০ ভাগ আপনি সুখি হবেন। জীবনে দুঃখ আপরার কাছে আসতে পারবেনা। তাই  আসুন যেহেতু আমরা সুখের জন্য

এত কষ্ট করি, এই টিপসগুলো কে ফলো করে জীবনে সুখী হওয়ার চেষ্টা করি।

অন্যকে সুখী হওয়ার জন্য সহযোগিতা করি । আপনার যদি বিষয়টা পড়ে ভাল লাগে তা অবশ্যই শেয়ার করবেন, এবং

কমেন্ট সেকশনে লিখবেন , আপনার এই টিপসটা কাজে লাগছে কিনা। ধন্যবাদ সবাইকে।

আরো পড়ুন:

১. বৈহালা বৈশাখের  ইতিহাস

২. পহেলা বৈশাখের বিভিন্ন উৎসব।

৩. কবে পহেলা বৈশাখ?

৪. পহেলা বৈশাখের A to Z ধারনা

৫. গুগলের জানা অজানা নানান তথ্য

6. স্কুল লাইভ নিয়ে স্ট্যাটাস

৭. গুগলে মানুষ কোন বিষয়ে বেশি সার্চ করে।

15 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *