পড়া মুখস্ত হওয়ার সহজ উপায় বা কৌশল

সহজে পড়া মুখস্ত করার উপায়

পড়া মুখস্থ হওয়ার সহজ উপায়, এখানে আমরা আলোচনা করেছি আপনি কিভাবে খুব সহজে পড়া মুখস্থ করতে পারবেন। কারণ আমরা যখন পড়তে বসি তখন আমাদের পড়া মুখস্ত হয় না। সবাই অভিযোগ করে থাকেন যে আমি পড়লে কি হবে? লাভ নেই পড়া মুখস্ত হয় না। আর তাদের জন্য নিয়ে এসেছি পড়া মুখস্ত হওয়ার সহজ কয়েকটি উপায়।

যে কৌশল গুলো কাজে লাগিয়ে আপনি খুব সহজেই পড়া মুখস্ত করতে পারবেন। আমি আপনাকে গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি, আপনার পড়া মুখস্ত হয়ে যাবে খুব তাড়াতাড়ি, এবং সেই পড়া আপনি মনে রাখতে পারবেন অনেক দিন। আপনি সেগুলো যেকোনো পরীক্ষায় বা যে কোন সময় আপনার কাজে লাগবে। তাই আসুন পড়া মুখস্ত হওয়ার সহজ টিপসগুলো জেনে নেই।

যে কোন পড়ার বিষয়বস্তুকে বুঝে পড়া

পড়া মুখস্ত হওয়ার সহজ উপায়
পড়া মুখস্ত হওয়ার সহজ উপায়

পড়ার বিষয়বস্তুকে বুঝে পড়া। আপনি যদি কোনো পড়াকে মুখস্থ করতে চান, তবে খেয়াল রাখবেন সেই পড়াকে আগে কয়েকবার আস্তে আস্তে পড়ে সেই পড়ার যে মূল বিষয়বস্তু বুঝতে হবে। আপনি যে পড়া মুখস্ত করতে চাচ্ছেন সেটা দ্বারা আসলে  কি বোঝাতে চেয়েছে ? বা কি বোঝাচ্ছে সেই বিষয়গুলো আপনার আগে ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।

তারপরে আপনি সেই মূল বিষয়বস্তু বোঝার পরে এবার আপনি চেষ্টা করবেন সেই পড়াটাকে মুখস্থ করার। আপনি যখন পড়ার মূল বিষয়বস্তু টা জেনে যাবেন, তো সেই ক্ষেত্রে আপনার জন্য খুবই সহজ ভাবে পড়াটা মুখস্থ হবে। তাই যদি আপনি এই কৌশল অবলম্বন করেন, আমি আপনাকে বলে দিতে পারি আপনি খুব সহজেই আপনার পড়া মুখস্ত করে ফেলতে পারবেন।

 যে কোন পড়াকে বারবার লেখা

পড়া মুখস্ত হওয়ার সহজ উপায়
পড়া মুখস্ত হওয়ার সহজ উপায়

পড়া মুখস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে এই কৌশলটা ম্যাজিকের মতো কাজ করবে । আমি আপনাকে গ্যারান্টি দিচ্ছি আপনি যদি যেকোনো পাঠ মুখস্ত করার আগে তিনবার বা চারবার লিখেন। তাহলে আপনি ২০ বার পড়লে যতটুকু উপকার পেতেন, তার থেকে অনেক বেশি উপকার হবে। পড়া মুখস্ত করার জন্য আপনার বেশি কাজে লাগবে ।

তাই আপনি যদি একটি পড়া খুব সহজেিই মুখস্ত করতে চান, সেই পড়াকে আগে কয়েকবার লিখে ফেলুন। লেখার মাধ্যমে আপনার পড়াটা অনেক আয়ত্বে চলে আসবে। পরবর্তীতে যখন আপনি মুখস্ত করতে যাবেন তখন দেখবেন আপনার কাছে পড়াটা অনেক সহজ মনে হবে, এবং খুব সহজেই আপনার মুখস্ত হয়ে যাবে । এজন্য বারবার লেখা পড়া মুখস্ত রাখা অনেক সহজ একটি কৌশল।

(আমরা সবাই সুখি হতে চাই । কিন্তু সুখী হতে পারি কজনা। শুধু আমরা কিছু কৌশল না জানার কারনে জীবনে সুখী হতে পারি না। সুখী হওয়ার জন্য জানতে হবে কিছু কৌশল।  আর সেই কৌশলগুলো পাবেন এখানে)

পড়ার বিষয়কে বাস্তবতার সাথে মিলিয়ে পড়ার

যেকোনো জিনিস আপনি যদি আপনার পারিপার্শ্বিকতার সাথে, মিলিয়ে দেখেন তাহলে সেই জিনিসটা আপনার কাছে পরিচিত মনে হবে । লেখাপড়াটা ঠিক তেমনি । আপনি যদি আপনার লেখাপড়া টাকে বুঝে আপনার যে পরিবেশের যে বিষয়বস্তুগুলো আছে অথবা বিষয়বস্তুর সাথে মিলিয়ে মুখস্ত করতে চান তাহলে সেক্ষেত্রে আপনার অনেক কাজে দিবে।

এই জন্য পড়াকে আগে নিজের মনের মধ্যে ভাবুন, এবং নিজের পরিবেশের সাথে সেটাকে মিলিয়ে পড়ুন। অর্থাৎ আমি যদি আপনাদের উদাহরণ দেই, আপনি ঢাকায় বসে পড়তেছেন ঢাকা বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত, এটাকাকে না পড়ে আপনি যদি চিন্তা করেন  ঢাকার পাশ দিয়ে বুড়িগঙ্গা নদী বয়ে গেছে এবং আমরা বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে আছি।

তাহলে দেখতেন এইভাবে পড়াটা মুখস্থ করলে আপনার পড়াটা একদম খুব তাড়াতাড়ি মুখস্থ হয়ে যাবে। এটা আমি একটা উদাহরণ দিলাম আপনি আপনার পড়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিষয়ের সাথে মিলিয়ে মিলিয়ে পরতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনি খুব তাড়াতাড়ি পড়া মুখস্ত করতে পারবেন।

(গ্যারান্টি দিচ্ছি বদলে যাবে আপনার জীবন। বদলে যাবে আপনার ভবিষ্যৎ। আর সেই বদলে যাওয়ার জন্য চাই কিছু কৌশল জানা । কিছু কৌশল জেনে আপনি যদি তা পালন করেন তাহলেই আপনার জীবন বদলে যাবে। আর সেই সমস্ত কৌশল নিয়ে আলোচনা করেছি আমরা এখানে। তার জন্য ভিজিট করুন আমাদের এই পেজটি)

সঠিক সময় পড়া

সব সময় সবকিছু হয়না। সবকিছুর জন্য নির্দিষ্ট সময় থাকে, এবং সেই সময়টাতে সেই কাজটা ভালো হয়। লেখাপড়ার ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম নয়। আমরা যদি সবসময় চাই লেখাপড়া করতে করতে, তাহলে আমাদের লেখাপড়া ভালো হবে না। আমরা লেখাপড়ার জন্য বেশ কিছু সময় আছে। যে সময় গুলো সবচেয়ে উপযুক্ত ।

আমি যদি আপনাদেরকে বলি কোন সময় গুলো লেখা পড়া করার উপযুক্ত সময়  আপনি সন্ধার পড় থেকে রাত্র ১১:০০ টা পর্যন্তা পড়বেন এবং ভোর বেলায় পড়তে বসবেন  তবে আপনি যে ধর্মের লোকই হননাকেন আপনাকে সময় মত ধর্মের কাজ করতে হবে। বিশেষ করে শেষ রাত্রে লেখা পড়া করা অনেক বেশি কাজে দেয় কারণ এ সময় মন থাকে ফ্রেশ এজন্য আপনি শেষ রাত্রিতেও পড়তে পারেন।

(আপনি কি ভালো ছাত্র হতে চান? জেনে নিতে চান ভালো ছাত্র হওয়ার মূলমন্ত্র গুলো । তাহলে আপনি ক্লিক করুন আমাদের এই পেজে ।আর জেনে নিন ভাল ছাত্র হওয়ার সেই সহজ মূল মন্ত্র গুলো)

চিন্তামুক্ত থেকে পড়া

আপনি যদি বাজে চিন্তা করেন। আর সে সময়টা লেখাপড়া করেন, তাহলে আমি আপনাকে বলে দিচ্ছি সেই পড়া আপনি কখনোই মুখস্ত করতে পারবেন না। কারণ আপনি আপনার মস্তিষ্ককে যদি একই সময়ে দুইটি কাজ করার জন্য দেন, তখন সে কোন কাজই আপনার ভালো মতো করবে না। আপনারা যদি সহজ করে বোঝানোর স্বার্থে বলি,

আপনি কম্পিউটার চালাচ্ছেন আর, একই সাথে আপনি দুইটা কমান্ড দিয়ে রাখছে দেখবেন কম্পিউটার তখন ঘুরতে থাকবে। সে তখন তার কোন প্রোগ্রামই রান করতে পারবে না। আমাদের মাথাটাও ঠিক একই রকম। আমরা যখন তাকে দুই ধরনের কাজ দিব, সে কোন কাজটাই ভাল ভাবে করবে না।

তার জন্য আপনি যখন পড়তে বসবেন অবশ্যই আপনি বাজে কোন চিন্তা করবেন না। আপনি শুধু পড়ার চিন্তাটাই করবেন ।দেখবেন আপনার পড়া খুব সহজেই মুখস্থ হয়ে গেছে।

(জীবনটা অনেক কষ্টের । আর এখানে থেকে যায় নানান কথা। আর সেই জীবনের কিছু বাস্তব কথা নিয়ে সাজিয়েছি আমরা এই পেজটি। আপনি দেখে আসতে পারেন জীবনের সেই বাস্তব কথা গুলো)

পড়ার সময় অন্য কোন খেয়ালে না থাকা

লেখাপড়া করার  সময় অন্য কোন চিন্তা করা যাবে না। আমরা অনেক সময় পড়তে বসে অন্য কোনো চিন্তায় মগ্ন থাকি, বা আমরা বসে লেখাপড়া করতেছে কিন্তু মাথার মধ্যেও অন্য ধরনের চিন্তা নিয়ে এসেছি। এইভাবে আপনি যদি পড়ার সময় অন্য কোন চিন্তা করেন সেক্ষেত্রে আপনার পড়া মুখস্ত হবে না।

আপনাদের অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে আপনি যখন পড়তে বসবেন তার আগে প্রয়োজন পড়ে ১০ মিনিট ধ্যান করে নিবেন। ধ্যান করে এবার পড়ায় আপনার মনকে ১০০ ভাগ  এনে এবার পড়তে বসবেন। তাহলে দেখবেন আপনার পড়া খুব সহজে মুখস্ত হয়ে গেছে।

(আমরা সবাই চাই জীবনে সফল হতে । কিন্তু পারিনা কিছু কৌশল না জানার কারণে। আর সেই সকল কৌশলগুলো যার দ্বার আপনি সহজেই সফল হতে পারবেন। সেই সকল কৌশল নিয়ে সাজিয়েছি আমাদের এই পেজটি। আপনি এখানে ক্লিক করে দেখে আসতে পারেন সফল হওয়ার সহজ কৌশল গুলো)

গভীর ধ্যানে পড়া

কথায় বলে বক ধ্যানে লেখাপড়া অর্থাৎ যখন একটি বক মাছ শিকার করে তখন সে ১০০ শতাংশ মনযোগ থাকে তার  শিকারের দিকে। আমরা যখন আমাদের লেখাপড়া করব আমাদের গভীর ধ্যানে মগ্ন হয়ে সেই লেখাপড়ার দিকে মন দিতে হবে। তা না হলে আমাদের লেখাপড়া আত্মস্থ হবে না। কারন আমরা শুধু লেখা পড়া মুখস্থ করলেই হবেনা।

লেখা পড়াটা যেন অনেকদিন মনে থাকে, সে ক্ষেত্রে আমাদেরকে লেখাপড়াটা আত্মস্থ করতে হবে। সেই লেখা পড়া করাটা আমাদের মনের ভিতরে গেঁথে যেন থাকে। অনেক দিনের জন্য এটাকে যেন আমরা মনে রাখতে পারি। এই পড়াটা যেন আমাদের ভবিষ্যতে যে কোন কাজে লাগাইতে পারি । কারণ লেখাপড়া শুধু পরীক্ষার জন্য নয় এটা হচ্ছে একটা জ্ঞান যা  আমরা যেন কোন কাজে লাগাতে পারি আজীবন।

(আপনি যদি বিভিন্ন কৃষি বিষয়ে ভিডিও দেখতে চান এবং দেখতে চান আপডেট সব কৃষি কার্যক্রম। তাহলে আমাদের এই চ্যানেলটিতে অনেক ভিডিও পাবেন যেগুলো আপনার কৃষিকাজের জন্য সহায়ক হবে)

শেষকথা

আপনি যদি উপরের টিপসগুলো কাজে লাগিয়ে থাকেন, আমি নিশ্চিত আপনার পড়া আগের থেকে অনেক বেশী মুখস্ত থাকবে। আপনারা উপকৃত হবেন। উপরোক্ত কৌশলগুলো কাজে লাগিয়ে আপনি কতটুকু উপকৃত হয়েছেন, আমাদেরকে কমেন্ট সেকশনে জানাবেন।

আপনার টিপস গুলো কাজে লেগে থাকলে আপনি বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে আপনার বন্ধু-বান্ধবদেরকে কাজে লাগানোর জন্য বলবেন। কারন আমরা চাই সবারই উপকার হোক আমার এই লেখা দ্বারা। আপনি কষ্ট করে এই লেখাটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

আরো পড়ুন:

. সুন্দর কথা বলার কৌশল।

২. গুগলের জানা অজানা নানান তথ্য

৩. স্কুল লাইভ নিয়ে স্ট্যাটাস

৪. গুগলে মানুষ কোন বিষয়ে বেশি সার্চ করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.