Trending

শারীরিক অবসাদ বা অলসতা দূর করার উপায়

সহজে অলসতা দূর করার উপায়

অলসতা দূর করার উপায়: আজকে এমন একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করব যে বিষয়টি সবারই প্রয়োজন। আমরা আমাদের জীবনে সবাই এই সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকি। আর সেই সমস্যাটা হলো অলসতা বা অবসাদ। আজকে আমরা আমাদের আলোচনার মাধ্যমে দেখাবো কি কারনে আমাদের অলসতা হয়।

কি কারণে আমাদের জীবনে অবসাদের দেখা দেয় , এবং সেই অবসাদ গুলোকে আমরা কিভাবে সহজে দূর করতে পারি। সে বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো । আমাদের এই লেখাটি পড়লে আপনি এই সমস্ত বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন ।আমাদের লেখাটি পড়লে আপনি এই সকল সমস্যা থেকে সহজেই দূরে সরে যেতে পারেন ।

এছাড়াও থাকবে আরো বেশকিছু বিষয় আলোচনা আলোচনা। যে গুলো আপনার জন্য জানা খুবই প্রয়োজন।

শারীরিক অবসাদ বা অলসতা দূর করার উপায়

আমরা আমাদের শারীরিক অবসাদ বা অলসতাকে দূর করতে পারি খুব সহজেই কিছু টিপস পালন করে। আর অলসতা দূর করার জন্য আমাদের ইচ্ছাশক্তি থাকতে হবে প্রবল। এর সাথে আরো বেশ কিছু বিষয় পালন করলেই আপনি আপনার অবসাদ বা শারীরিক অলসতাকে দূর করতে পারবেন। আসুন জেনে নেয়া যাক কিভাবে আমরা শারীরিক অবসাদ দূর করতে পারি।

টিপস নাম্বার এক:

আমরা অনেকেই ভুল করে দিনের অনেক সময় ঘুমাই। কিন্তু এই রকম ঘুম পাড়া আমাদের জন্য ভুল।  আপনি যদি আপনার শারীরিক অবসাদ দূর করতে চান তবে অবশ্যই বেছে নিতে হবে নির্দিষ্ট একটি সময় সময়কে। আর এই সময়ের মধ্যেই আপনি ঘুমাবেন এবং খেয়াল রাখতে হবে আপনার ঘুম যেন হয় গভীর ।

আপনাকে কমপক্ষে রাত্রে ৭ থেকে ৯  ঘণ্টা ঘুমাতে হবে।  আর এই ভাবে ঘুম পাড়লে আপনার  শারীরিক অবসাদ দূর হয়ে যাবে কেটে যাবে শরীরের অলসতা।

টিপস নাম্বার দুই :

সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই আপনি শুরু করে দিবেন ধর্মচর্চা। এতে করে আপনার অজান্তেই শরিরে এক প্রকার ব্যায়াম হয়ে যাবে, এবং আপনার সকালে ওঠার অভ্যাস হয়ে যাবে। যেটা অলসতাকে দূর করার এক মহা ঔষধ হিসেবে কাজ করবে।

টিপস নাম্বার তিন :

আমরা অনেক সময় গোসল করতে চাইনা, বা গোসল করলেও অল্প একটু পানি দিয়ে গোসল সেরে ফেলি। এতে করে আমাদের শরীরের অলসতা দূর হয় না। আপনি যদি আপনার শরীরের অলসতা দূর করতে চান, তাহলে বেশি করে পানি দিয়ে গোসল করুন। তাহলে দেখবেন আপনার শরীরের অবসাদ বা অলসতা কেটে গেছে।

টিপস নাম্বার চার :

কথায় বলে মন হচ্ছে দেহের চালিকাশক্তি। এ কথাটি অনেকাংশে সত্যি। যদি আপনার মন ভাল থাকে, তাহলে দেহ ভালো থাকে। আর দেহ ভালো থাকলে আপনার দেহে অলসতা কম আসবে। আর আপনার দেহে অবসাদ আসবেনা। আর এর জন্য সবসময় আপনি চেষ্টা করবেন আপনার মন যেন ভালো থাকে।

আর এর জন্য আপনি বিভিন্ন ভালো বই পড়তে পারেন, সিনেমা দেখতে পারেন, গান শুনতে পারেন, বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে পারেন মোটকথা আপনার মন যেভাবে ভালো থাকে তার জন্য সব সময় চেষ্টা করতে হবে। এভাবে আপনার মন ভালো থাকলে আপনার অলসতা আসবেনা।

টিপস নাম্বার পাঁচ :

এখন যে টিপসটা বলতেছি, এই টিপসটা অলসতা দূর করার জন্য অনেক কার্যকরী একটি টিপস। আপনার শরীরে যদি কখনো অবসাদগ্রস্ততা দেখা দেয়, তাহলে আপনি যোগ ব্যায়াম শুরু করে দিতে পারেন। যোগ ব্যায়ামের মাধ্যমে খুব সহজেই দূর করা যায় শারীরিক অলসতা বা অবসাদ। আর এই টিপসটি  অনেক মনীষী এবং ঋষি ব্যক্তিগণ তাদের অলসতাকে দূর করার জন্য কাজে লাগিয়েছেন।

উপরোক্ত টিপসগুলো ছাড়াও আরো কয়েকটি বিষয় আপনার নিজের মধ্যে আয়ত্তে এনে, আপনি আপনার অলসতাকে দূর করার কাজে লাগাতে পারেন ।সেই উপায় গুলো নিচে দেওয়া হল।

  • নিজেকে নিয়ে ভাবা অর্থাৎ নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে হবে।
  • ধীরে ধীরে অলসতার অভ্যাস পরিত্যাগ করতে হবে।
  • সবসময় নিজেকে নিয়ে ইতিবাচক চিন্তা করতে হবে।
  • নিজের ইচ্ছেশক্তিকে বাস্তবে প্রয়োগ করতে হবে।
  • নিজের কাজের অগ্রগতির মূল্যায়ন করতে হবে।
  •  ছোট ছোট সাফল্যের জন্য নিজেকে পুরস্কৃত  করতে হবে।

অলসতা নিয়ে বিভিন্ন বিজ্ঞানীর সমীক্ষা পর্যালোচনা ও ব্যাখ্যা

এ নিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বিজ্ঞানি বিভিন্ন প্রফেসরগণ জানিয়েছেন বিভিন্ন সমীক্ষায় এর সমীক্ষায় যে সকল বিষয় উঠে এসেছে তা নিম্নে তুলে ধরা হলো।

  • শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুচশিয়া সিরোইস বলেছেন অলস্য বা সময় ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা সমস্যা নায়।
    আপনি যদি উদ্বিগ্ন হন এই ভেবে যে আপনি ব্যর্থ হবেন, তাহলে কাজ ফেলে রাখা যুক্তি তৈরি হবে।
  • অলস বা অবসাদ গ্রস্থ ব্যক্তিরা যদি, কাজের অগ্রিম পরিকল্পনা করে থাকে। তাহলে তারা দুই থেকে তিনগুণ বেশি অগ্রসর হবে। আর এই বিষয়টি পরীক্ষামুলকভাবে দেখিয়েছেন আমেরিকান মনোবিদ পিটার গলউইটজার তিনি ৯৪ টি সমীক্ষা পর্যালোচনা করে দেখান যারা আগে থেকেই কর্মপরিকল্পনা টি নির্ধারণ করে রাখে তাদের সাফল্যের হার অনেক বেশি।
  • কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কাইটলি য়ুলির নতুন এক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে তাৎক্ষণিক পুরস্কার কঠোর পরিশ্রম করতে উদ্বুদ্ধ করে। যারা অলস ব্যক্তি তাদেরকে যদি তাৎক্ষণিক পুরস্কার ঘোষণা করা হয়, তাহলে তাদের অলসতা কেটে যায় এবং তাদের কাজের গতি বেড়ে যায়।
  • সিরোইস বলেছেন আমরা নিজের ওপর মাঝেমধ্যে, যতটা নির্দয় হই বন্ধুদের ওপর ততটা হতে পারিনা। তাই আমাদের নিজেদের প্রতি কিছুটা সহমর্মিতা দেখানো উচিত।
  • ইংরেজি দার্শনিক বার্নার্ড উইলিয়াম বলেন অলস ব্যক্তিদের দুটি পন্থা একটি হলো পারবোনা দ্বিতীয়টি হলো ওটার দরকার নেই।
  • আমেরিকান জনপ্রিয় গিটারিস্ট জিমি লায়ন অলসতা নিয়ে বলেন অলস ব্যক্তিদের সারা বছরের একটি দিন আর তা হলো আগামিকাল। কিন্তু এই আগামীকাল জীবনে আর আসে না।
  • ক্যারেন ল্যন্ব  অলসো তে নিয়ে দারুন একটি উক্তি দিয়েছেন আর তা হলো জীবনে যদি কিছু ত্যাগ করতে হয়, তবে ত্যাগ করো অলসতা।

অলসতা দূর করার ঔষধ

আমাদের কম বেশী সকলেরই অলসতা আছে । আর এই অলসতা আমাদেরকে গ্রাস করে ফেলেছে। নষ্ট্য করে দিচ্ছে  আমাদের ভবিষ্যৎ ও উন্নত জীবনকে। আর তাই অলসতা পরিত্যাগ করতে চায় না এমন কোনো মানুষ নেই। আমরা সবাই চাই আমাদের অলসতা দূরে যাক, এবং আমরা যেন অলস মুক্ত থাকতে পারি।

কিন্তু সেটা আমাদের পক্ষে সম্ভব হয় না। আর তাই অনেকে আমরা প্রশ্ন করে থাকেন অলসতা পরিত্যাগ করার জন্য কোন ওষুধ আছে কিনা? তাদের উদ্দেশ্যে বলতেছি অলোষতা পরিত্যাগ করার মহৌষধ হচ্ছে আপনার ইচ্ছাশক্তি। আপনার ইচ্ছাশক্তিই পারে আপনার অলসতাকে সরিয়ে দিতে।

আপনি যদি প্রবল ইচ্ছাশক্তি নিয়ে মনে করেন আমি অলসতা করব না তবেই কেবল সম্ভব । আর তাই প্রবল ইচ্ছাশক্তিকেই অলসতা ত্যাগ করার মহা ঔষধ বলা হয়ে থাকে।

নামাজে অলসতা দূর করার উপায়

আমরা যারা মুসলমান তারা নামাজের সময় অলসতা করে থাকি বিভিন্ন কারণে। যার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হলো আমাদের

শারীরিক কারণে, আমাদের মানসিকতার কারণে, অথবা আমাদের ধর্মের ব্যাপারে অজ্ঞানতার কারণে । আর এই সকল

কারণেই আমরা নামাজে অলসতা করে থাকি। আর যাদের এই ধরনের অভ্যাস আছে তাদের জন্য করণীয় হচ্ছে।

আপনি সালাতে অলসতা পরিত্যাগ করতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই নামাজের গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে হবে। নামায কে

আপনার গুরুত্ব দিতে হবে। নামাজের গুরুত্ব সম্পর্কে বিভিন্ন হাদিসে আছে যেগুলো পড়তে হবে যাতে করে আপনি

জানতে পারেন সময়মত নামাজ পড়ার ব্যাপারে কতটুকু গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

নামাজ না পড়লে কি কি ধরনের শাস্তি আপনার হতে পারে? সে সকল বিষয়ে আপনার জানতে হবে। এছাড়াও আপনি যদি

মরনের কথা বেশি বেশি স্মরণ করেন, এবং এটা মনে করতে পারেন যে আমি আজকে যদি সময় মত নামাজ না পড়ে মারা

যােই তবে সেজন্য আল্লাহর কাঠগড়ায় আমাকে দার করানো হবে তাহলে আপনি সময় মত নামাজ পড়তে পারবেন।

নামাযের অলসতা পরিত্যাগ হবে।

অলসতার দূর করার ব্যায়াম

অলসতা পরিত্যাগ করার জন্য অনেকেই অনেক ধরনের পন্থা অবলম্বন করে থাকেন। তার মধ্যে অলসতা দূর করার জন্য

শারীরিক ব্যায়াম হচ্ছে একটি উল্লেখযোগ্য মাধ্যম। আপনি প্রতিনিয়ত যদি শারীরিক ব্যায়াম করেন তাহলে দূর হয়ে যেতে

পারে আপনার শারীরিক অলসতা। দূর হয়ে যেতে পারে আপনার শারীরিক অবসাদ । আর এ সকল ব্যায়াম এর মধ্যে

উল্লেখযোগ্য হচ্ছে যোগ ব্যায়াম। এছাড়াও আপনি বিভিন্ন রকমের ধ্যানের মাধ্যমে দূর করে নিতে পারেন আপনার শরীরের

অবসাদ বা অলসতা কে। আর এই জন্যই একজন লেখক বলেছেন তুমি তোমার শরীরের অবসাদকে দূর করতে চাও? তবে

যোগ ব্যায়াম শুরু করো । তাহলে দেখবে দূরে সরে যাবে তোমার শরীরের সকল অবসাদ আর অলসতা।

অলসতার দূর করার ইসলামিক উপায়

অলসতাকে দূর করার জন্য ইসলামে যথেষ্ট তাগিদ রয়েছে।  ইসলাম অলস ব্যক্তি কে কখনোই পছন্দ করেনা। কারন

অলসতা আসে শয়তানের কাছ থেকে। যেহেতু অলসতা শয়তানের কাছ থেকে আসে, তাই অলসতা কখনো ভাল কিছু  বয়ে

আনতে পারে না। আর ইসলামের যে সকল গুরুত্ব রয়েছে ।

(আপনি কি জীবনে সফলতা চান? জানতে চান সফলতার সেই গোপন টিপস গুলো । তাহলে  দেখে নিন আমাদের এই

পেইজটি আর ভিজিট করে জেনে নিন সফল হওয়ার গোপন টিপস গুলো । যেগুলো ব্যবহার ব্যবহার করে আপনার

জীবনে হতে পারবেন একজন সফল ব্যক্তি)

শারীরিক অবসাদ দূর করার উপায়

আমরা অনেকেই চেষ্টা করি আমাদের শারীরিক অবসাদকে দূর করার। শারীরিক অবসাদ যেমন বিভিন্ন কারণে আমাদের

হয়ে থাকে । তেমনি এটি দূর করার জন্য আমাদেরকে সচেষ্ট হতে হবে। তা না হলে আমরা শারীরিক অবসাদ দূর করতে

পারবো না। এর জন্য প্রধান কাজগুলো হলো, আপনার নিয়মিত ঘুম পারতে হবে ।

খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে, অর্থাৎ সুষম খাবার গ্রহণ করতে হবে। নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। বাহিরে বেড়াতে যেতে

হবে। আর এই সমস্ত অভ্যাসগুলো আপনার নিজের মধ্যে গড়ে উঠল আস্তে আস্তে শারীরিক অবসাদ দূর হয়ে যাবে। এ

গুলো অভ্যাস করার পরেও যদি  অবসাদ দূর না হয় তাহলে আপনাকে একজন ভাল ডাক্তার দেখিয়ে চিকিৎসা নিয়ে তার

পরামর্শ নিতে হবে।

অলসতা দূর করার খাবার

এটা দূর করার জন্য খাবারের বেশ ভূমিকা রয়েছে। কারণ আমরা প্রতিদিন কাজ করি। কাজ করার ফলে আমাদের শরীর

থেকে শক্তি অপচয় হয়, এবং এর জন্য আমাদের প্রয়োজন আবার খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে শরীরকে চাঙ্গা রাখা। আমরা যদি

দিনের-পর-দিন কাজ করতে থাকি, এবং পুষ্টিকর খাবার না খিই সে ক্ষেত্রে আমাদের শরীর আস্তে আস্তে নিস্তেজ হয়ে যাবে।

শরীরের খারাপ অবস্থা দেখা দেবে। আর এই জন্যই আমরা যদি আমাদের শরীরকে সতেজ রাখতে চাই , তার জন্য প্রতিদিন

আমাদের পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। তবে আমাদের শরীর সতেজ থাকবে। আমরা অবসাদকে দূর করতে পারব।

অলসতা দূর করার দোয়া

অবসাদ, বা অলসতাকে দূর করার জন্য আমরা নানামুখী চেষ্টা করে থাকি। কিন্তু খুব কম সংখ্যক লোকই আছে যে এখান

থেকে মুক্তি পেতে পারে । আর এই অলসতাকে দূর করার জন্য ইসলামে রয়েছে বিভিন্ন উপায়, এবং দোয়া । যে দোয়া

পড়লে আল্লাহতালা অবসাদ দূর করবেন। সেই দোয়া আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে বাংলায় উচ্চারণ সহ অর্থ দেওয়া হলো ।

আপনি সহজেই আপনার মনের অবসাদ অলসতাকে দূর করতে পারবেন।

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাজানি, ওয়াল আজযি ওয়াল কাসালি, ওয়াল জুবনি ওয়াল বুখলি, ওয়া দ্বলাইদ দাইনি, ওয়া গলাবাতির রিজাল।

অর্থ : হে আল্লাহ, নিশ্চয়ই আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা, পেরেশানি, অক্ষমতা, অলসতা, কাপুরুষতা, কৃপণতা, ঋণভার ও মানুষের প্রভাবাধীন হওয়া থেকে।

(আপনি কি আধুনিক কৃষি বিষয়ক সকল ভিডিও দেখতে চান? তাহলে ক্লিক করুন আমাদের এই চ্যানেলকে দেখে নিন প্রতিদিনের আপডেট কৃষি তথ্য)

শেষ কথা:

দূর হয়ে যাক আমাদের সবার অলসতা। দূর হোক সকল অবসাদ। আমরা চাই সবাই আমরা সুস্থ জীবন যাপন করি। সুখে

বসবাস করি। আমরা আমাদের কর্মধারা দিয়ে আমাদের জীবনকে গড়ে তুলি। আর আপনাদের যদি আমার এই পন্থাগুলো

কাজে লেগে থাকে অবশ্যই কমেন্ট সেকশনে জানাবেন। আর আপনার যদি এ সম্পর্কে আরো কোনো পরামর্শ প্রয়োজন

হয় তাহলে অবশ্যই আমাকে জানাবেন ।আমি পরবর্তীতে আপনার চাহিদা মত লেখা আপনাদের উপহার দিবো। আমার এই

লেখাটি পড়ে আপনার কাজে লেগেছে কিনা অবশ্যই কমেন্ট সেকশনে জানাবেন ।  আর অবশ্যই বিভিন্ন সামাজিক

যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করবেন। যেন আপনার বন্ধু-বান্ধব এই লেখাটি পড়তে পারে। ধন্যবাদ আপনাকে কষ্ট করে

লেখাটা পড়ার জন্য।

আরো পড়ুন:

. সুন্দর কথা বলার কৌশল।

২. গুগলের জানা অজানা নানান তথ্য

৩. স্কুল লাইভ নিয়ে স্ট্যাটাস

৪. গুগলে মানুষ কোন বিষয়ে বেশি সার্চ করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.