Tips & Tricks

উন্নত জীবন গড়ার উপায়

ক্যারিয়ার উন্নত করার উপায়

উন্নত জীবন গড়ার উপায়: উন্নত জীবন একটি আপেক্ষিক বিষয়। আসলে উন্নত জীবনের মানে কী? এই জিনিসটা বোঝা

কঠিন। আমরা একেকজন  উন্নত জীবন বলতে একেকরকম বুঝে থাকি। একেকজনের জীবনযাপ একেক রকমের আর

এই ভিন্নতার জন্য তাদের উন্নত জীবন যাপন  নির্ভর করে তার চাহিদার উপর বা তার জীবযাত্রার উপর।

আমরা এখানে উন্নত জীবন মানে কমন একটি ধারণা নিয়ে আলোচনা করব। সেখান থেকে আপনি আপনার জীবনে উন্নত

জীবনযাপনের বিষয়টা বেছে নিবেন। আমরা সবাই চাই উন্নত জীবনযাপন করতে। কিন্তু খুব কম লোকই আছে উন্নত জীবন

যাপন করতে পারে। আর এই উন্নত জীবনযাপন করতে না পারার পেছনে রয়েছে কিছু কারণ।

যে কারণগুলো আপনি সমাধান করতে পারলে আপনিও উন্নত জীবনযাপন করতে পারবেন । আসুন আজকে আমি এই

লেখাটি দ্বারা ‘বলবো আপনারা কিভাবে উন্নত জীবনযাপন করতে পারেন সে বিষয়টি। এর জন্য প্রয়োজন হবে শুধু একটু

ধৈর্য্য সহকারে সম্পূর্ণ লেখাটি পড়ার।

আপনাকে আমি অনুরোধ করছি পড়াটি এড়িয়ে যাবেন না, এবং টেনে টেনে পড়বেন না। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়লে

আমি আশা করি আপনি  উন্নত জীবন যাপন করার জন্য একটি দিক নির্দেশনা পেয়ে যাবেন।

সূচিপত্র

উন্নত জীবন কি?

উন্নত জীবন মানে দুটো দিক হতে পারে একটি হচ্ছে এই দুনিয়া কে কেন্দ্র করে। আরেকটা হচ্ছে আখেরাতকে কেন্দ্র করে।

আমি প্রথমে এই দুনিয়ায় কে কেন্দ্র করে যে উন্নতজীবন সেটা ব্যাখ্যা করছি। এই দুনিয়াতে উন্নত জীবনযাপন হচ্ছে

আপনার মৌলিক চাহিদা পূরণের পাশাপাশি আপনার যে সৌখিন চাহিদা গুলো আছে সেগুলো পূরণ সহকারে জীবন যাপন

করার নামই উন্নত জীবন।

অন্যদিকে আপনি যদি পরকাল কেন্দ্রিক উন্নত জীবনযাপন চিন্তা করেন। তাহলে আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে শারীরিক

অবস্থা ভালো থেকে, আল্লাহর গুনগান প্রতিদিন করার মাধ্যমে জীবনযাপন করা কেই উন্নত জীবনযাপন বলে। এই দুইটি

সংমিশ্রণে যদি একটি উন্নত জীবনের সংজ্ঞা প্রদান করা হয়, তাহলে এমন বোঝায় একটি মানুষ তার জীবন যাপন করার

জন্য তার যতগুলো  চাহিদা আছে সেগুলো পূরণের মাধ্যমে তাদের জীবনযাপন করতে পারাকে উন্নত জীবনযাপন বেলে।।

ক্যারিয়ারে উন্নতি করার উপায়/উন্নত জীবন গড়ার উপায়

সকলেই আমরা চাই উন্নত জীবনযাপন করতে। কিন্তু সেই চাওয়াটা আমাদের বাস্তবে পরিণত পরিণত হয় খুব কম সংখ্যক

মানুষের। কারণ আমরা আমাদের নিজেদের কারণে উন্নত জীবনযাপন করতে পারিনা। কিন্তু পরিশেষে দোষারোপ করে

থাকি সৃষ্টিকর্তার। আমরা নিজেরাই আফসোস করে বলতে থাকি আমাদের কপালে উন্নত জীবনযাপন নাই।

আমরা দুর্ভাগা, এটা আমাদের ভাগ্যে নাই। এভাবেই নিজেদের কে দোষারোপ করে থাকি। আর সেই সকল ভাই বোনদের

উদ্দেশ্য করে বলতেছি, আপনারা যদি সত্যিকার অর্থে উন্নত জীবনযাপন করতে চান তাহলে অবশ্যই সৃষ্টিকর্তা আপনাকে

সাহায্য় করবেন। আপনার শুধু প্রয়োজন নিচের টিপসগুলো অনুসরণ করা ।

উন্নত জীবনযাপনের মানে জানুন

উন্নত জীবন যাপনের মানে, একেকজনের কাছে একেক রকমের। মানুষ ভেদে যেরকম চাহিদা এবং প্রয়োজনের ভিন্নতা

আছে, তেমনি মানুষ হিসেবে জীবনের মানেও একেকজনের কাছে একেক রকম। তাই আপনার নিজেকে প্রথমে প্রশ্ন করে

জেনে নিতে হবে, আপনি উন্নত জীবনের মানে কি বুঝেন? আর এরই ধারাবাহিকতায় আপনি আপনার জীবনকে উন্নত

জীবন যাপন কারী হিসেবে  সাজাবেন।

উন্নত জীবনযাপনের জন্য সঠিক একটি পরিকল্পনা তৈরি করুন

অনেক সময়, অনেকেই অনেক টাকা পয়সা আয় রোজগার করে থাকে। কিন্তু সেই টাকা পয়সাকে ধরে রাখতে পারে না।

আবার টাকা পয়সা কে ধরে রাখতে পারলেও, তাদের পরিকল্পনার অভাবে তারা উন্নত জীবনযাপন করতে পারেনা। তারা

তাদের আয়-রোজগার কে জীবনযাত্রা সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে পারে না।

আর তাই আপনি যদি উন্নত জীবনযাপন করতে চান, তাহলে আপনার আয়-রোজগারের সাথে জীবন যাপনের একটি সুন্দর

পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। যে পরিকল্পনার মাধ্যমে আপনি উন্নত জীবনযাপন করতে পারবেন।

কাজকে ভালোবাসুন

উন্নত জীবনযাপন করার অন্যতম একটি শর্ত হচ্ছে কাজেকে ভালবাসতে হবে। কারণ আপনি যদি কাজকে না ভালোবাসেন

সেই কাজ থেকে আশানুরূপ ফল পাবেন না। আর আশানুরূপ ফল না পেলে আপনার সাংসারিক খরচের টাকা সেই কাজ

থেকে ঠিক মত আসবে না। এতে করে আপনার উন্নত জীবনযাপন ব্যাহত হবে।

তাই যারা কাজ করে, তাদের মন মানসিকতা সব সময় ভালো থাকে। তারা খারাপ চিন্তা ভাবনা করার কোন সময় পায় না।

এইজন্য একটা কথা আছে অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা। তাই আপনি যদি উন্নত জীবনযাপন করতে চান অবশ্যই

আপনার কাজকে ভালবাসতে হবে, এবং যে কোন কাজ নিষ্ঠার সাথে করতে হবে।

মনোবিজ্ঞানীরা বলেন কোনটা করবেন তা লিখে ফেলুন এবং সে অনুযায়ী কাজ করুন।

অলসতা পরিত্যাগ করুন

অলসতা কখনো মানুষের জীবনের সুখ বয়ে আনতে পারে না। যে সকল মানুষ অলস তাদের শেষ পরিণতি হয় অনেক

দুঃখজনক । আসুন এখনো যারা অলস ভাবে দিন যাপন করতেছেন বাবার কিছু আছে, তার উপর নির্ভর করে। তাহলে

আপনার শেষ পরিণতি হবে ভয়াবহ। তাই নিজেকে যদি উন্নত জীবনযাপনের অধিকারী বানাতে চান, তাহলে অবশ্যই

আপনার অলসতা পরিত্যাগ করতে হবে।

মনোবিজ্ঞানী জর্ডান পিটারসন দেখিয়েছেন যে শিক্ষার্থীরা একটি প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে তাদের পারফরমেন্স ভালো হয়।

ভালো খাবার গ্রহণ করুন

ভালো খাবার খেলে একদিকে যেমন, শরীর ভালো থাকে । তেমনি মনও ভালো থাকে । শরীর ও মন একটি আরেকটির সাথে

ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই উন্নত জীবনযাপন করতে গেলে ভালো খাবারের বিকল্প নেই। এছাড়াও আমরা ভালো খাবারকে

অনেক সময় উপভোগ করে থাকি, এটা উন্নত জীবন যাপনের একটি অংশ। তাই প্রতিদিন খাবার তালিকায় ভাল মানের

খাবার রাখুন।

বাইরে বেড়াতে যান

সময়-সুযোগ পেলেই বাইরে বেরিয়ে আসতে পারেন। এতে করে আপনার কাজের একঘেয়েমি দূর হবে। শরীরে নতুন করে

কাজ করার শক্তি পাবেন। একই সাথে বাহিরে ঘুরে আসলেন আপনার মন-মানসিকতাও ভালো হবে । যারা একটু সৌখিন

তারা দেখা যায় সময় পেলেই বাহিরে ঘুরতে যায়। তাই সৌখিন জীবন যাপনে বেড়ানোও একটি অন্যতম মাধ্যম।

ভালো মানের জামা-কাপড় পরিধান করুন

সুন্দর কাপড়-চোপড়েই বলে দেয় আপনার জীবন যাত্রার মান কতটুকু ভাল। আর তাই আপনি যদি মনে করেন আপনি

উন্নত জীবন যাপন করবেন, সে ক্ষেত্রে আপনার ভাল মানের জামাকাপড় কেনা প্রয়োজন। কারণ অনেক সময় দেখবেন

আপনি যদি ভাল জামাকাপড় না পারেন, সে ক্ষেত্রে আপনাকে আপনার আত্মীয়-স্বজন দাম দেয় না। এক্ষেত্রে শেখ সাদীর

যে একটি গল্প আছে, সেখান থেকেই আমরা বুঝতে পারি ভালো জামা কাপড়ের কতটুকু মূল্যায়ন।

নিয়মিত ধর্ম চর্চা করুন

যারা নিয়মিত ধর্ম চর্চা করে তাদের মনে সবসময় প্রশান্তি থাকে। তারা যত টুকু পায় ততটুকুর উপরেই তারা খুসি থাকে। এতে

করে এটাকেই তাদের সৃষ্টিকর্তার সবচেয়ে বড় উপহার মনে করে। আর এটা যখন তারা মনে মনে পোষন করে থাকে, তখন

তাদের জীবনযাপন এমনিতেই উন্নত হয়ে যায়। কারণ আগেই বলেছি জীবনযাপনের মান উন্নত মানে একেকজনের কাছে

একেক রকম। তাই তার কাছে এটাই হচ্ছে সবচেয়ে উন্নত জীবনযাপন। আপনিও যদি নিয়মিত ধর্ম চর্চা করেন তবে

আপনার মধ্যেও এই বিশ্বাস স্থাপন হবে।

প্রতিদিন নিয়ম করে ব্যায়াম করুন

যারা প্রতিদিন ব্যায়াম করে, তারা শারীরিক এবং মানসিকভাবে ফিট থাকে। আর এই ফিট থাকার কারণে নিজেদেরকে তারা

সুখী মনে করে। আর যখন একটি মানুষ নিজেকে সুখী ভাবতে থাকে তখন তার জীবনযাত্রাকে সে মনে করে অনেক

ভালমানের জীবনযাত্রা । আর এভাবে আপনি প্রতিদিন ব্যায়াম করার মাধ্যমে নিজের জীবনকে উন্নত জীবনযাপনে নিয়ে

যেতে পারেন।

ভালো মানুষের সাথে বন্ধুত্ব গড়ে তুলুন

ভালো মানুষের সাথে বন্ধুত্ব গড়ে তুলুন। দেখবেন কখনো জীবনে কষ্ট পাবেন না। তাদের জন্য আপনার জীবনে কষ্টের

কোন কারন হবে না । একটি কথা আছে সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস। অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ। আপনিও যদি ভালো মানুষের সাথে

সম্পর্ক করেন, তাদের উন্নত জীবনযাপন  আপনার জীবনও প্রভাব ফেলবে। এক সময় আপনার জীবন যাপনও উন্নত হবে।

আর আপনি যদি খারাপ লোকের সাথে মিশেন তহলে খারাপ প্রভাব আপনার মধ্যে এসে পড়বে। তাই উন্নত জীবনযাপন

করার ক্ষেত্রে ভালো বন্ধুত্ব করার বিকল্প নেই।

নিজে সমসময় সব কাজে সৎ রাখুন

জীবনের সব কাজে সবসময় যদি সৎ থাকেন, তাহলে আপনি সবসময় মানুষের ভালোবাসা পাবেন। আপনার জীবন দ্রুত

উন্নতি হবে। যার প্রভাব পড়বে আপনার উন্নত জীবনযাপনে। আর  তাই সবসময় সৎ থেকে নিজের জীবন যাপনকে উন্নত

জীবনযাপনে পরিণত করি।

জীবনে কিছু করতে চাই/ জীবনে বড় হওয়ার উপায়/ জীবনে বড় কিছু হতে চাই

অনেকেই  আছে জীবনে কিছু করতে চায়। জীবনকে বদলাতে চায়। তারা  চায় তাদের জীবনে  সুখ আনতে। কিন্তু সেই সুখ

পাখিটাকে সবাই ধরতে পারেনা । ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যায় সেই সুখ নামের পাখিটি। আর আমরা যদি সেই সুখ নামের

পাখিটি কে ধরতে চাই, তাহলে আমাদের দিতে হবে কঠিন ধৈর্যের পরীক্ষা। পাড়ি দিতে হবে অনেক কঠিন পথ।

সেই কঠিন পথ পাড়ি  দিতে পারলেই আমরা ধরতে পারবো সুখ নামের পাখিটি কে। কোন কোন কাজ করলে আমরা

জীবনে কিছু করতে পারবো, সে বিষয়টি আলোচনা করব।

  • জীবনে বাস্তবমুখী শিক্ষা গ্রহণ করুন।
  • যে কোন কাজ করার আগে, সেই কাজ সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিন। সেই কাজ করে কতটুকু লাভবান হতে পারবেন বিস্তারিত জেনে তার পর সেই কাজ শুরু করুন।
  • কাজ করতে গেলে বিফলতা আসতে পারে, সেক্ষেত্রে হতাশ না হয়ে বারবার চেষ্টা করতে হবে তবেই জীবনে সফলতা  আসবে ইনশাল্লাহ।
  • জীবনে কিছু হতে গেলে প্রচুর পরিশ্রম করার মন মানসিকতা থাকতে হবে।
  • জীবনের প্রতিটা কাজে এবং কথাবার্তায় নিজেকে সৎ রাখতে হবে। কারণ সৎ মানুষকে আল্লাহর সাহায্য করে, এবং সবাই তাকে ভালোবাসে । তবে দেখবেন সকলের ভালোবাসা, এবং আল্লাহর সাহায্যে আপনি জীবনে অনেক বড় হয়ে গেছেন।

জীবনে উন্নতি করার উক্তি

উন্নতি করার জন্য বিভিন্ন উক্তি আছে। বিভিন্ন উক্তির মাধ্যমে আমরা উন্নয়নের জন্য উৎসাহ পাই। আর এসকল উক্তি

জীবনে উন্নতি করার জন্য খুবই কাজে লাগে। এসকল উক্তির মাধ্যমে আমরা পেয়ে থাকি অনুপ্রেরণা। আসুন নিম্নোক্ত

উক্তিগুলো যদি আপনার জীবনের অনুপ্রেরণা হয় তাহলে আমি চির কৃতজ্ঞ থাকব। এটা ভেবে যে আমার এই উক্তির ধারা

আপনার জীবনে উন্নয়ন হয়েছে ।

জীবনে উন্নতি করার দোয়া

অনেক সময় আমরা জীবনে উন্নতি করার সময় ধৈর্য্য হারা হয়ে যাই।  আর তাই কখনো ধৈর্য হারা হওয়া যাবে না উন্নয়নের

জন্য । সব সময় চেষ্টা করে যেতে হবে এবং ভরসা রাখতে হবে মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি। আর তার কাছে চাইতে হবে সাহায্য।

আপনি নিম্নোক্ত দোয়ার মাধ্যমে তার কাছে সাহায্য চেয়ে নিজের জীবনকে উন্নত করতে পারেন।

উচ্চারণ : ‘রাব্বি আদখিলনি মুদখালা সিদকিও ওয়া আখরিঝনি মুখরাঝা সিদকিও ওয়াঝ্আললি মিল্লাদুংকা সুলত্বানান নাসিরা।’ (সুরা বনি ইসাইল : আয়াত ৮০)

 বাংলা অনুবাদ: হে আমার প্রভু! আপনি আমাকে সত্যরূপে প্রবেশ করান এবং আমাকে বের করুন সত্যরূপে। আমাকে আপনার কাছ থেকে রাষ্ট্রীয় সাহায্য দান করুন।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ মানবজীবনের সফলতার মানদণ্ড ঘোষণা করেছেন – যিনি মৃত্যু ও জীবন সৃষ্টি করেছেন যাতে তিনি তোমাদেরকে পরীক্ষা করতে পারেন যে, কে তোমাদের মধ্যে আমলের দিক থেকে উত্তম। আর তিনি মহাপরাক্রমশালী, অতিশয় ক্ষমাশীল।  (সুরা মুলক,আয়াত-২)

সৎ আমলের পরিচয় তুলে ধরে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন: সে ব্যক্তি ভাল কর্মী, যে আল্লাহ তা’য়ালার হারামকৃত বিষয়াদি থেকে সর্বাধিক বেঁচে থাকে এবং আল্লাহ তা‘আলার আনুগত্য করার জন্য সদাসর্বদা উন্মুখ হয়ে থাকে। (কুরতুবী)

আল্লাহ পাক পবিত্র কোরআনে ঘোষণা করেন – অবশ্যই মুমিনরা সফল হয়েছে, যারা নিজদের সালাতে বিনয়াবনত। আর যারা অনর্থক কথাকর্ম থেকে বিমুখ। আর যারা যাকাতের ক্ষেত্রে সক্রিয়।

 পরম করুনা ময় আল্লাহ তায়ালা বলেন -তোমাদের মধ্যে আল্লাহর কাছে সেই অধিক মর্যাদাসম্পন্ন, যে তোমাদের মধ্যে অধিক তাকওয়া সম্পন্ন। নিশ্চয় আল্লাহ তো সর্বজ্ঞ, সম্যক অবহিত। (সুরা হুজরাত আয়াত-১৩)

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেন- যে আল্লাহকে ভয় করে, তিনি তার জন্য উত্তরণের পথ তৈরী করে দেন। এবং তিনি তাকে এমন উৎস থেকে রিযক দিবেন যা সে কল্পনাও করতে পারবে না। আর যে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে আল্লাহ তার জন্য যথেষ্ট। (সুরা তালাক, আয়াত২-৩)

জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার বাস্তব গল্প/ জীবন পরিবর্তন করার গল্প

আমি আজকে আপনাদের এমন একটি গল্প বলবো যে গল্প শুলনে আপনারা হতবাক হবেন। এটা একটি বাস্তব গল্প। আমার

একদম কাছের মানুষ, যে কিনা আমার প্রাইভেট টিচার ছিল। তার জীবন ছিল খুবই কষ্টের। কিন্তু সে ছিল অনেক মেধাবী।

সে ক্লাস ফাইভ থেকে টিউশনি শুরু করেন এবং উচ্চতর ডিগ্রি নেয়া পর্যন্ত প্রাইভেট পড়ার মাধ্যমে একদিকে যেমন লেখা

পড়ার  খরচ চালাতো  অন্যদিকে সংসারেরও খরচ চালানো লাগতো।

এভাবেই চলতে থাকে তার দিন। কিন্তু সে নিজেকে পরাজয়ের কাছে সঁপে দেয় নি। জয়কে ছিনিয়ে আনার জন্য তার ছিল

তার অদম্য প্রচেষ্টা। আর এটাই তাকে অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য সহায়তা করেছেন। একবার যখন সে ইন্টারমিডিয়েট

লেখাপড়া করেন, তখন তার অনেক বড় ধরনের অসুখ হয়। যে অসুখের কারণে তার লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম,

কিন্তু তারপরও সে থেমে থাকেনি । অদম্য ইচ্ছা বলে সে আজকে অনেক বড় একটি কোম্পানিতে চাকরি করে।  তার বড়

ধরনের ব্যবসা আছে। বর্তমানে ঢাকা শহরে তার জায়গা আছে এবং এর সাথে ঢাকায় তার তিনটি বাড়ি আছে। তার চলাচলের

জন্য  সে ব্যবহার করেন অনেক দামী গাড়ি। যেটা হয়তোবা তার জীবনে কল্পনাও করেনি ।

তার জীবনে  এত বড় হবে এটা তার কল্পনার থেকেও অনেক বেশি। সে বর্তমানে অনেক উন্নত মানের জীবনযাপন করছে।

এটা হচ্ছে একটি বাস্তব উদাহরণ। এখানে তার নাম ব্যবহার করা হলো না। কারণ আমরা কাউকে ছোট করতে চাই না।

এরকম আমাদের চারপাশে হাজারোও গল্প আছে । যারা জীবনে কঠিন পরিশ্রম করে জীবনকে করেছেন স্বর্গময়।

জীবনে অর্জন করেছেন অনেক প্রাপ্তির। তাই আসুন আমরা এভাবেই জীবনকে কঠিন পরিক্ষার মাধ্যমে উন্নত করি।

আমাদের জীবনে যেন সবধরনের সুবিধা ভোগ করতে পারি।

জীবনে সফল হওয়ার মূলমন্ত্র

সফল হওয়ার জন্য অনেকেই মূলমন্ত্র খুঁজেন। আসলে মূল মন্ত্র বলতে একটা জিনিসই, আর সেই জিনিসটাই বিভিন্ন মানুষ

ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে বলতে থাকে। আমি আপনাদেরকে যে মূলমন্ত্র বলবো এটাই হচ্ছে একমাত্র জীবনের উন্নয়নের চাবিকাঠি।

আপনি যদি এই মন্ত্রটি নিজের জীবনের সাথে মানিয়ে নিতে পারেন, তবেই আপনি আপনার জীবনে অনেক অনেক উন্নত

করতে পারবেন । যেটা আপনি নিজেও কল্পনা করতে পারেননি। এই মন্ত্র হলো-

  • কঠোর পরিশ্রম
  • সততা
  • এবং ধৈর্য

( আপনি যদি কৃষি বিষয়ক বিভিন্ন ভিডিও দেখতে চান। তাহলে আমাদের এই চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুনএখানে আপনি

আপডেট কৃষি বিষয়ক সকল তথ্য পাবেন।)

শেষকথা:

আপনি যেহেতু এই অংশটি পড়তেছেন, অবশ্যই আপনি উপরের সবগুলো বিষয় পড়েছেন। আর আমি আপনাদের বলে

দিতে পারি, আপনি যদি উপরের সবগুলো বিষয়ে মনোযোগ সহকারে পড়ে থাকেন, তবে আপনার উন্নতজীবন হবেই, হবে

ইনশাআল্লাহ। তাই আপনার যদি পোস্টটি পড়ে ভালো লেগে থাকে, অবশ্যই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপনার বন্ধু

বান্ধবের সাথে শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ আপনাকে কষ্ট করে লেখাটি পড়ার জন্য।

আরো পড়ুন:

. সুন্দর কথা বলার কৌশল।

২. গুগলের জানা অজানা নানান তথ্য

৩. স্কুল লাইভ নিয়ে স্ট্যাটাস

৪. গুগলে মানুষ কোন বিষয়ে বেশি সার্চ করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *