Trending

পুরুষাঙ্গ ছোট হওয়ার কারন ও প্রতিকার

Lingo daray na

পুরুষাঙ্গ ছোট হওয়ার কারন: প্রিয় বন্ধুরা আজ আমি আপনাদের সাথে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবো তা অনেক

জরুরী এবং সবার জন্যই খুবই প্রয়োজনীয়। অনেকেই এই বিষয় নিয়ে কথা বলতে চায় না। বা তারা লজ্জার কারণে কথা

বলতে পারেন না।  আজ আমি চেষ্টা করবো বিস্তারিত খুলাখুলি আলোচনা করে বিষয়টি আপনাদের খোলাসা করার জন্য।

আম আপনাদের এখানে যে বিষয়টি আলোচনা করবো তাহলো লিঙ্গ কি? থেকে শুরু করে এর বিভিন্ন রোগ ও সমস্যা আর

থাকছে  এর প্রতিকার । যাদের লিঙ্গের গোপন সমস্যা আছে কিন্তু লজ্জার খাতিরে কাউকে জানাতে চাননা বা জানান না।

তাদের জন্য এই পুরুষাঙ্গ ছোট হওয়ার কারন লেখাটি খুবই কাজে লাগবে। কারন লজ্জা নয় জানতে হবে।

সূচিপত্র

লিঙ্গ

এটা হচ্ছে প্রনীদেহের একটি অংশ যেটা সাধারণত যৌন কাজের জন্য বা বংশবিস্তারের জন্য ব্যবহার করা হয়। প্রণী কূলের

সব জীবেরই এই অংশটি আছে। পৃথিবীতে এমন কোন প্রনী পাওয়া যাবেনা যার লিঙ্গ নাই। এরই ধারাবাহিকতায় মানুষেরও

প্রজনন কার্য সম্পাদন করার জন্য বা বংস বিস্তার করার জন্য লিঙ্গ রয়েছে। আকার বা নারী পুরুষ ভেদে এই লিঙ্গের

আকারে পার্থ্যাক রয়েছে। ছেলেদের  এক রকম এবং ময়েদের এক রকম। আকার যে রকমই থাক এদের কাজ মূলত একই।

ছেলে লিঙ্গ

এটা হলো মূলত পুরুষদের থাকে। অর্থৎ যখন কোন ছেলের প্রজন কার্য বা যৌন কার্য সম্পাদন করার জন্য যে মাধ্যম বা

শরীরে যে অংশটিকে সক্রিয়ভাবে বা যে অংশটির দ্বার সম্পাদন করা হয় তাকে লিঙ্গ বলে আর এটা যদি পুরুষ বা ছেলেদের

হয়ে থাকে তবে তাকে ছেলে লিঙ্গ বলে। ছেলেদের এই অংশটি সাধারণত শরীরের মাঝখানে নাভির নিচে ৩ খেকে ৪ ইঞ্চি

লম্বা আকৃতির হয়ে থাকে। মানব দেহের গঠন ও আকার আকৃতি ভেদে সাইজের পার্থ্যক থাকতে পারে। আর একেই ছেলে

লিঙ্গ বলে।

নারীর লিঙ্গ

এই অংশটির ইংরেজী নাম ভ্যাজাইনা যাকে যোনিও বলে থাকে। এটি নারীর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কারণ এটা দ্বারা নারী

তার প্রজনন কার্য ও রেচন কার্য পরিচালনা করে থাকে। সাধারণত একজন নারী পূর্ণ বয়স্ক হলে তখন তার ডিম্বানু পরিপক্ক

হয় তখন যৌন মিলনের ফলে পুরুষ তার বীর্য যোনি পথের ভিতরে নিক্ষেপ করলে বা ফেললে যদি কোন প্রকার শারীরিক

সমস্যা না থাকে তবে তখন তা বাচ্চা উৎপাদন করতে সক্ষম হয়। আর এই যাবতীয় কাজ মেয়েদের যে অংশটির মাধ্যমে

করা হয় তাকে নারীর লিঙ্গ বলে।

লিঙ্গের আকার

এর সঠিক আকার বা মাপ কেউ বলতে পারবে না। কারণ বিভিন্ন বিষয়ের উপর এর আকার আকৃতি নির্ভর করে থাকে।

যেমন দেশ কাল আবহাওয়া দেহের গঠন আকার আকৃতি ইত্যাদি। আবার কিছু কিছু সময় খাবার দাবারও আকার ছোট বড়

হওয়ার পিছনে ভূমিকা পালন করে থাকে। তবে সাধারণ ভাবে বলতে গেলে এটা সাধারণত একজন প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষদের

উত্থান অবস্থায় এক রকম আর যখন উত্থান না থাকে তখন আরেক রকম হয়ে থাকে। আর মেয়েদের ক্ষেত্রে ধরা হয় এর

গভীরতা এটা সাধারণত সবসময় একই থাকে। এর কোন পরিবর্তন হয়না । তবে কেউ কেউ অভিমত করে থাকেন যৌন

কার্য সম্পাদন করার সময় তার সংঙ্গির চাহিদা অনুযায়ী এর গভীরতার তারতম্য ঘটে। এর ফলে অল্প একটু ছোট বা বড়

হতে পারে।

কালো লিঙ্গ হবার কারণ

অনেকেই সমস্যা মনে করে থাকেন তাদের এই কালো লিঙ্গ থাকার ফলে । অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায় তার শরীরের চেয়ে

এই অংশ টুকু অনেক কালো। যার ফলে খুবই চিন্তায় থাকে । তাদের উদ্দেশ্য এখানে বলা আসলে এটা কোন চিন্তার বিষয়

নয়। আমাদের বুঝতে হবে এটা কালো হবার আসল কারণ কি ? কারণ এটা যদিও আমাদের শরীরের এমন একটি অংশ যেটা

আমরা সবসময় ঢেকে রাখি যেখানে এই অংশটি বেশি সাধা বা সুন্দর থাকার কথা কিন্তু দেখা যায় এর উল্টো বিষয়। তাই

আগে এখানে উল্লেখ করবো এটা কেন কালো হয়। আমরা জানি এই অংশটুকুর চামড়া খুবই নরম এবং মসৃণ এখানকার

চামড়ার অনুভূতি সংবেদনশীলতা অনেক বেশি যার ফলে যখন আমরা আন্ডারওয়ার পরি তখন এখানে খুব বেশি ঘশা লাগে

তাছাড়াও এখানে অধিক ক্ষার যুক্ত সাবান ব্যবহারের ফলে এর রং অনেক সময় কালো হয়ে থাকে। মেয়েদের ক্ষেত্রে দেখা

যায় তারা যখন এই অংশের লোম পরিস্কার করে থাকে তখন ব্লেড বা অন্য কোন দ্রব্য ব্যবহার করে যেটা সেই অংশের

চামড়ায় বেশি পরিমাণ আঘাত করে থাকে এতে করে যোনির চার পাশ শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনায় কালো হয়ে থাকে।

তাই তারা বিভিন্ন সময় খুবই চিন্তায় পড়ে থাকে। বিশেষ করে বিভিন্ন সিনেমায় সেক্স এর ভিডিওতে সুন্দর সুন্দর লিঙ্গ দেখে

তাদেরকে অসুখি মনে করে থাকে। তারা আসলে বুঝতে পারেনা তারা যা দেখাচ্ছে সেটা মূলত একটি সিনেমা মাত্র । যেখানে

অনেক বেশি মেকআপ ব্যবহার করা হয়। তাই যাদের লিঙ্গ কালো আজ থেকে আর কোন চিন্তা নয় এটা কোন সমস্যা নয়।

বাংলাদেশি লিঙ্গ 

অনেকেরই মনে প্রশ্ন থাকে বাংলাদেশি লিঙ্গ কেমন? বা বাংলাদেশী মানুষের লিঙ্গ কেমন হয়। তাদের এই প্রশ্নের উত্তরে বলা

যায় । বাংলাদেশিদের লিঙ্গ পর্যালোচনা করতে গেলে আগে পর্যালোচনা করতে হবে বাংলাদেশীদের ভৌগলিক অবস্থান ও

এখান কার মানুষের বসবাসের আদি উৎস। কারন মানুষের লিঙ্গের আকার যে বিষয়টির উপর সবচেয়ে বেশি নির্ভর করে তা

হলো তার বংশ পরিচিতি বা তার পূর্ব পুরুষদের উপর । তাই বাংলাদেশের অতিত ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় এখানে বিভিন্ন

সময় বিভিন্ন দেশের লোকজন তাদের ব্যবসা বানিজ্য পরিচালনার জন্য এখানে আসত। আর তারা এখানে এসে ক্ষনিকের

জন্য বিয়ে করত যার ফলে বাংলাদেশী মানুষের রং এবং আকার আকৃতি বিভিন্ন রকমের । যেহেতু তাদের আকার বিভিন্ন

রকমের তাদের লিঙ্গের সাইজও বিভন্ন আকারের হয়ে থাকে। তবে একটি জরিপে দেখা গেছে এদেশের মানুষের গড়ে সাইজ

হলো ৪ থেকে ৫ ইঞ্চি।

কৃত্রিম লিঙ্গ

এটা এক সময় আমাদের কল্পনার বাহিরে ছিল। মানুষ তার জন্মের সময় বা বিভিন্ন দুর্ঘটনা কবলে পড়ে তার যৌনাঙ্গ হাড়ালে

তা আর ফিরে পাওয়া সম্ভব হতোনা। অথবা কোন কারণে পুরুষাঙ্গ যৌন সঙ্গমের সময় উত্তেজিত না হলে তখন কবিরাজ বা

হালকা পাতলা চিকিৎসা ছাড়া তেমন কোন সুফল পেতনা। কিন্তু বর্তমানে আমেরিকার এই কৃত্রিম লিঙ্গ উদ্ভাবনের ফলে

বিশ্নের কোটি কোটি মানুষ দেখতে পারে আশার আলো। বর্তমানে  গবেষণার কাজ চুড়ান্ত পর্যায়ে সরকার থেকে ছাড়

পেলেই এটার প্রয়োগ মানুষের মধ্যে শুরু হয়ে যাবে। অনেকের মধ্যে প্রশ্ন জাগতে পারে এই লিঙ্গ কিভাবে তৈরী করা হবে।

তাদের উদ্দেশ্য বলা এটা তৈরী প্রক্রিয়া খুবই সাধারণ । রোগীর দহ থেকে মাংসপেশি বা টিসু নিয়ে এবং দাতার লিঙ্গের অংশ

নিয়ে তৈরী করা হবে।

লিঙ্গের আকার কেমন হবে?

আমাদের কিছু মানুষের ভুল ধারনার জন্য অনেক সময় আমরা অশান্তিতে থাকি। অনেক সময় আমাদের লিঙ্গ ছোট হলে

আমরা মনে করে থাকি আমার সমস্যা আছে। আসলে বিষয়টি এরকম না। প্রতিটা জীনিসের একটি নির্দিষ্ট আকার আকৃতি

আছে । আর তার একটি নির্দিষ্ট্য মাপ আছে । আমাদের সৃষ্টিকর্তা যখন আমাদের সৃষ্টি করেছেন তখন সব জীনিস আামাদের

দেহের মাপ অনুযায়ী তৈরী করেছেন। তাই আপনার নুনুটিও তার ব্যাতিক্রম নয়। এর পরেও বিভিন্ন কারণে অনেকের লিঙ্গ

দেখা যায় প্রয়োজনের তুলনায় ছোট আকার হয়ে থাকে। সেই ক্ষেত্রে আকার কতটুকু থাকলে আমি বুঝবো আমার স্বাভাবিক

আছে আর আমার ছোট আছে তাদের প্রশ্নের উত্তর পরিস্কার করার জন্য বলছি। আপনার যদি মোটামুটি উত্থান অবস্থায় ৩

থেকে ৪ ইঞ্চি মিনিমাম থাকে তবে আপনার কোন চিন্তা নাই। যদি এর থেকে ছোট থাকে সেই ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ ডাক্তারের

শরণাপন্ন হন।

লিংগ ছোট হলে কি সমস্যা

যদি কোন কারণে আপনার প্রজনন অঙ্গটি প্রয়োজনের তুলনায় সত্যিই ছোট তাহলে আপনি অনেক গুলো সমস্যায় পড়তে

পারেন। এদের মধ্যে মূলযে সমস্যা সেই সমস্যাটি হলো আপনার জীবনসঙ্গী আপনার কাছে থেকে তার চাহিদা মত যৌন

সুখ পাবে না। এতে করে আপনার জীবনে যে ঘটনা গুলো ঘটতে পারে তাহলো নিম্ন রুপ।

  • আপনার সংসারে অশান্তি দেখা দিতে পারে।
  • যেহেতু ছোট একটি সমস্যা অনেক ক্ষেত্রে সন্তান জন্মদানে অক্ষম হতে পারে।
  • মানুষিক সমস্যায় ভূগতে পারেন।
  • ভালোবাসার ঘাটতি দেখা দিতে পারে।
  • সংসারে বিচ্ছেদ দেখা দিতে পারে।
  • অত্ন হত্যা বা খুনের মত ঘটনা ঘটতে পারে।

পুরুষাঙ্গের রোগ ও প্রতিকার

সাধারণত পুরুষের প্রজনন অঙ্গের অনেক  ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে। তাদের মধ্যে অন্যতম হলো, উত্থিত না হওয়া।

কোনো ব্যক্তির নিজের বা তার স্ত্রীর যৌন চাহিদা পূরণের জন্য উপযোগী পুরুষ জনন অঙ্গের উত্থান ও তা নির্দিষ্ট সময়

পর্যন্ত জায় রাখার অক্ষমতাই হলো পুরুষের জনন অঙ্গের উত্থানজনিত সমস্যা। বেশির ভাগ পুরুষেরই জীবনের কোনো না

কোনো পর্যায়ে এই ধরনের অভিজ্ঞতার সন্মুখিন হয়ে থাকে এবং শেষ পর্যন্ত এটা মানসিক অশান্তির কারণ হয়ে দেখা দেয়।

কোনো কোনো পুরুষ দীর্ঘমেয়াদি পূর্ণাঙ্গ সমস্যায় আক্রান্ত হন। আবার কোন কোন সময় আংশিক বা ক্ষণস্থায়ী সমস্যায়

আক্রান্ত হতে পারেন। যদি বারে বারে এ রকম সমস্যায় আক্রান্ত হয় তখন দেখা দেয় মানসিক পীড়া সহ সম্পর্ক নষ্ট হওয়া

এবং আত্মযর্মাদাহীনতার মতো সমস্যা হয়। বহুবিদ কারণে এ সমস্যা হতে পারে। এর বেশিরভাগই চিকিৎসা করা সম্ভব যা

নিরাময় যোগ্য।

 পুরুষাঙ্গের উত্থিত না হওয়া রোগটির ব্যাপকতা :

যদিও পৃথিবীর অনেক দেশেই এই রোগের ব্যাপকতা নিয়ে কোনো সমীক্ষা না থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের সমীক্ষা থেকে আমরা

অবস্থা জেনে নিতে পারি। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বাস্থ্য ইনসিটিটিউটের সূত্র অনুসারে ২০০২ সালে ১৫ লাখ থেকে ৩০ লাখ

আমেরিকান পুরুষ জনন অঙ্গের সমস্যায় আক্রান্ত হন। প্রায় ৪২ শতাংশ এশিয়ান পুরুষ এ রোগে আক্রান্ত। এদের

অনেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে বিব্রত বোধ করেন। ১৯৯৯ সালে প্রতি হাজারে ২২ জন আমেরিকান পুরুষ এ রোগ

সংক্রান্ত পরামর্শের জন্য আসেন। বয়স বাড়ার সাথে সাথে এ রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকে। ৪০ থেকে ৭০ বছর

বয়স পর্যন্ত ৫০ শতাংশ জন পুরুষ ক্ষণস্থায়ী এবং আংশিক উত্থান জনিত সমস্যায় আক্রান্ত হয়। ডায়াবেটিস, কিডনি

সমস্যা , মাদকাসক্তি, উচ্চ রক্তচাপ ও রক্তনালীর সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের প্রায় ৭০ শতাংশ এ রোগ ভুগে থাকেন।

মানসিক অসুখের কারণে প্রায় ১০ থেকে ২০ শতাংশ পুরুষ এ অসুখে ভোগেন। সকল ডায়াবেটিক রোগীই এ সমস্যায় ভুগে

থাকেন। আবার হার্টের রোগীরাও কমবেশি আক্রান্ত।

লিঙ্গের আকার ও কর্য পদ্ধতি

পুরুষ জনন অঙ্গের অভ্যন্তরীণ গঠন বেশ জটিল । এতে দুটি নলাকার রক্ত ধারক কলা থাকে এবং এই নলাকার ধারকের

মধ্যেই উত্তেজনার সময় রক্ত জমা হয়ে পুরুষাঙ্গ স্ফীত ও লম্বা হয়। উত্তেজনা প্রশমিত হলে আবার কলাগুলো সংকুচিত হয়ে

পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে। উত্তেজনা কমে গেলে রক্তাধারে জমাকৃত রক্ত আবার শরীরে ফিরে আসে। মূত্রনালী

বেষ্টনাকারী রক্ত, দুটি প্রধান ধমনী, কয়েকটি শিরা যা পুরুষাঙ্গে রক্ত সরবরাহ করে ও স্নায়ুকলা যৌন উত্তেজনার সময়

সংবেদনশীল হয়ে উঠে। এ রকম কয়েকটি অঙ্গের সমম্বয়েই পুরুষ জনন অঙ্গ তৈরি হয়।

উত্তেজনার উপযুক্ত কারণ ঘটলে মস্তিকে ও স্নায়ুতন্ত্রে উত্থানের প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং রক্ত সংবহনতন্ত্রের মাধ্যমে তা

জননতন্ত্রে নির্দেশনা পৌঁছায়। শারীরিক ও মানসিক উত্তেজনা স্নায়ুর মাধ্যমে রক্ত সংবহনতন্ত্রে বার্তা পাঠায় এবং জনন

অঙ্গে রক্ত চলাচল বেড়ে যায়। ফলে এ অঙ্গটা স্ফীত ও শক্ত হয়ে ওঠে। উত্তেজনা প্রশমিত হয়ে বীর্যপাত হয়ে গেলে

পুরুষাঙ্গে রক্তের চাপ কমে যায়, এটা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।

লিঙ্গের রোগ নির্ণয় :
ডায়াবেটিস, কিডনি রোগ , যকৃতের রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ধূমপান, মাদকাসক্তি, স্ত্রীর সাথে আন্তরিক সম্পর্কের অভাবেও এ
সমস্যাটা হতে পারে। আগেই বলা হয়েছে, প্রায় সব ডায়াবেটিক রোগী, হার্টের রোগী, কিডনি রোগী পুরুষাঙ্গের উত্থান জনিত
সমস্যায় ভুগে থাকেন। উচ্চ রক্তচাপ কমানোর জন্য যারা বিভিন্ন ওষুধ খান তাদেরও এই সমস্যা হয়ে থাকে। শুধু তাই নয়
বিভিন্ন মানসিক চাপ কমানোর ওষুধ, এলার্জির ওষুধ ও এসিড কমানোর ওষুধও এই সমস্যার সৃষ্টি করে। স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের
গভীরতা যৌন কর্মে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। এটা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে।

শারীরিক পরীক্ষা :

সাধারণ শারীরিক পরীক্ষা ও জননতন্ত্রের বিস্তারিত পরীক্ষা , স্নায়ুতন্ত্রের রোগ, রক্ত সংবহনতন্ত্রের রোগ জন্মগত কোনো ত্রুটি

যেমন হাইপোস্পেডিয়াস, পেইরোনিকস ডিজিজ ইত্যাদি বিশেষ ভাবে লক্ষ্য করতে হবে। পুরুষের স্তন এবং চুলের অবস্থা

পযর্বেক্ষণ করা প্রয়োজন। পুরুষের স্তন যদি বৃদ্ধি পায় এবং ঘন চুলের অধিকারী হন তবে তার ক্রোমোজম ও বিভিন্ন

হরমোনের মাত্রা পরীক্ষা করাও জরুরি।

পুরুষাঙ্গ ছোট হওয়ার কারন রোগটির ল্যাবরেটরি পরীক্ষা :
হিমোগ্লোবিন, রক্ত শূন্যতা, হরমোন টেস্টোস্টেরন প্রল্যাকটিন, রক্তে চর্বির মাত্রা, আর্টেরিসসক্লেরোসিস, কম রক্ত সরবরাহ,
সুগার, যকৃতের কার্যকারিতা, কিডনির কার্যকারিতা, থাইরয়েড কার্যকারিতা দেখা প্রয়োজন। কোনো কোনো সময়
ক্রোমোজম পরীক্ষা এবং বিভিন্ন হরমোনের মাত্রা নিরুপণ করা প্রয়োজন হয়। প্রস্রাবে অতিমাত্রায় প্রোটিন ও সুগার আছে
কিনা জানা প্রয়োজন ।

 

পুরুষাঙ্গ ছোট হওয়ার কারন যার জন্য কার্যকর উত্থান পরীক্ষা (ডুপ্লেক্স আল্ট্রাসাউন্ড)

ডুপ্লেক্স আল্ট্রাসাউন্ডের সাহায্যে রক্ত সরবরাহ ও শিরার ছিদ্র নির্ণয় করা সম্ভব। আর্থেরোস্কে¬রোসিস, স্কারিং,

ক্যালসিফেকেশনও আল্ট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে নির্ণয় করা সম্ভব। পুরুষাঙ্গে বিশেষ ইনজেকশানের মাধ্যমে অথবা

সিলডেনাফিল জাতীয় ট্যাবলেট খাওয়ানোর পর কালার ডপলার এবং ড্রপ্লেক্স আল্ট্রাসাউন্ড করলে পুরুষ জনন অঙ্গের

ভেতরের অস্বাভাবিকতাগুলো বিশদভাবে ধরে পড়ে। এটা মনে রাখা দরকার যে এই ইনজেকশনের প্রভাবে পুরুষ জনন

অঙ্গ চার ঘন্টার বেশি উত্থিত থাকলে এবং যদি ব্যথা হয় (প্রিয়াপজম) তবে দ্রুত তাকে কোনো ইউরোলজি সেন্টারে নিয়ে

চিকিৎসা দেয়া প্রয়োজন। চিকিৎসায় দেরি বা অবহেলা হলে পুরুষ জনন অঙ্গ পরে অকার্যকর হয়ে যেতে পারে।

নিদ্রাকালীন পুরুষ জনন অঙ্গ উত্থান :
একজন স্বাভাবিক পুরুষের ঘুমের মধ্যে তার পুরুষ জনন অঙ্গটি ৫ থেকে ৬ বার পুরুষ জনন অঙ্গ উত্থিত হয়ে থাকে। এটা
প্রতি ৯০ মিনিট পর পর কয়েক মিনিটের জন্য ঘটে থাকে। এর অনুপস্থিতি পুরুষ জনন অঙ্গের স্নায়ুর অসামঞ্জস্যতা বা রক্ত
সরবরাহের অসুবিধা নির্দেশ করে। বিশেষ পরীক্ষা যেমন কাভারসনোগ্রাম বা কাভারসনোমেট্রি করে পরুষ অঙ্গের
রক্তনালীর অবস্থা দেখা যেতে পারে। কৃত্রিমভাবে পুরুষা জনন অঙ্গের উত্থান ঘটিয়ে তার চাপের পরিমাপ নির্ণয় করা হয়।
বিশেষ ওষুধ কনট্রাস্ট ম্যাটেরিয়াল ব্যবহার করে এক্সরে করা হয় । এ পরীক্ষার মাধ্যমে চিকিৎসক পুরুষ জনন অঙ্গের গঠন
ও কর্ম পদ্ধতিতে কোনো ক্রটি আছে কিনা তা বুঝতে পারেন। তবে এ পরীক্ষাটি অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণ বিধায় কদাচিৎ এটি করা
হয়। কালার ডপলার এবং ড্রপ্লেক্স আল্ট্রাসাউন্ডের কারণে এই পরীক্ষাটি এখন আর জনপ্রিয় নয়।

 

রোগের চিকিৎসা :

যৌনশিক্ষা : এ পদ্ধতিতে মানসিক রোগজনিত উত্থান সমস্যার চিকিৎসা করা হয়। আমাদের দেশে যৌন শিক্ষার ব্যবস্থা না

থাকায় নবীন বয়সে রোগীর সামান্য যৌন সমস্যাকেই বিশাল সমস্যা বলে মনে করে প্রায়ই অপচিকিৎসার শিকার হয়ে

মানসিক, শারীরিক এবং আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। সাধারণ যৌনশিক্ষা যুব সম্প্রদায়কে এই বিপদ হতে রক্ষা করতে পারে।

মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক পাঠ্যক্রমে এ বিষয়ে একটি অধ্যায় যোগ করা যেতে পারে।

পিডিই৫ এনজাইম ইনহিবিটার

উত্থানের ক্ষেত্রে কার্যকর পিডিই৫ ইনহিবিটার (নিলডেনিফিল সাইট্রেট, টাডানাফিল এবং ভারডেনাফিল) ওষুধগুলোর

ব্যবহার এ সমস্যার প্রাথমিক ওষুধ হিসেবে আর্ন্তজাতিকভাবে স্বীকৃত এবং প্রায় ৭৫ শতাংশ ক্ষেত্রে অত্যন্ত ফলপ্রসূ।

সিলডানাফিল মিলনের ঘন্টা খানেক আগে খাবার পরামর্শ দেয়া যেতে পারে। এর কার্যকারিতা প্রায় ২/৩ ঘন্টা স্থায়ী হয় খালি

পেটে ওষুধটি সেবন করলে তার কার্যকারিতা বেশি হয়। টাডানাফিল ২০ এমজি প্রায় ৩৬ ঘন্টা কার্যক্ষম। এ কারণে ওষুধটি

যে কোনো সময় খাওয়া যেতে পারে। এ দুটি ওষুধের কার্যকারিতা চমৎকার। বাংলাদেশসহ সারা পৃথিবীতে এটা সবচেয়ে

জনপ্রিয়। যাদের যকৃত ও কিডনি সংক্রান্ত অসুখ রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে এর মাত্রা কম রাখতে হবে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

মাথা ব্যথা, মুখমন্ডল ভার হয়ে আসা নাক বন্ধ হওয়া ইত্যাদি কোনো কোনো সময় অনুভূত হয়। তবে এর সমস্ত পার্শ্ব

প্রতিক্রিয়া সাময়িক সময়ের জন্য। ওষুধের কার্যকারিতা শেষ হলেই এর সমস্যাগুলো এমনিতেই চলে যায়।

পুরুষাঙ্গ ছোট হওয়ার কারন এর জন্য পেনাইল ইমপ্লান্টস :

সর্বক্ষেত্রে পুরুষ জনন অঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যা পূর্ব উল্লেখিত চিকিৎসা দিয়ে চিকিৎসা করা সম্ভব হয় না। যখন কোনো

চিকিৎসাই ফলপ্রসূ হয় না তখন পেনাইল প্রস্থেসিসের প্রয়োজন হয়। সাধারণত দুই ধরণের পেনাইল প্রস্থেসিস চিকিৎসার

জন্য পাওয়া যায়।

(১) সেমি রিজিড পেনাইল প্রস্থেসিস যা অত্যন্ত উন্নতমানের মেডিক্যাল গ্রেডের সিলিকন দ্বারা প্রস্তুতি। এটি দীর্ঘ মেয়াদি

চিকিৎসা এবং দামও তুলনামুলকভাবে কম। সেমি রিজিড পেনাইল প্রস্থেসিস স্থাপন করাও তুলনামুলকভাবে সহজ।

বর্তমানে এই চিকিৎসা খুবই খরচ কম যা মাত্র বাংলাদেশী টাকায় মাত্র ৪ থেকে পাঁচ লাখ টাকারমধ্যেই  প্রস্থেসিস প্রতিস্থাপন

সম্ভব হবে।

(২) ইনফ্লেটেবল পেনাইল প্রস্থেসিস অপেক্ষাকৃত বেশি জটিল এবং হাইড্রোলিক পাম্প-সংবলিত একটি অত্যন্ত আধুনিক

প্রতিস্থাপনীয় প্রস্থেসিস। এতে দুটি সিলিকন নল একটি ছোট ভাল্ব ও হাইড্রোলিক পাম্প থাকে। এ প্রযুক্তির সুবিধা হলো যখন

এবং যতক্ষণ পুরুষ অঙ্গটি উত্থিত অবস্থায় রোগী বা তার সঙ্গীনি রাখতে চান ততক্ষণই সর্ম্পূণ কার্যক্ষম অবস্থায় রাখতে

পারবেন। ইনফ্লেটেবল পেনাইল প্রস্থেসিসের অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এর প্রতিস্থাপন পদ্ধতি একটু জটিল ও কোনো কোনো সময়

এতে যান্ত্রিক ত্রুটিও পরিলক্ষিত হয়। তবে দীর্ঘ স্থায়িত্বের কথা বিবেচনা করে এ পদ্ধতিটি অনন্য। বাংলাদেশী মুদ্রায়

আনুমানিক চার লাখ টাকার মতো খরচ হতে পারে।

পুরুষের যৌন সমস্যা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। আমাদের দেশে এসব বিষয়ের অপচিকিৎসার এমনই বিস্তৃতি লাভ

করেছে যে তা উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আধুনিক চিকিৎসায় পুরুষদের সকল যৌন সমস্যার সমাধান করা যায়।

মেডিকেল চিকিৎসার সাথে সাথে সার্জিক্যাল চিকিৎসাও অত্যান্ত ফলপ্রসূভাবে সর্ম্পণ করা হচ্ছে। মেডিকেল বিশ্ব

বিদ্যালয়ের ইউরোলজি বিভাগের, এন্ড্রোলজি এন্ড ফিমেল ইউরোলজি ইফনিট প্রতি রবি ও মঙ্গলবার বর্হিবিভাগে চিকিৎসা

সেবাসহ আন্তবিভাগে সর্বপ্রকার যৌন সমস্যার রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। সেই সাথে যৌন রোগ বা সমস্যার বিষয়ে

ইউরোলজি ও এন্ড্রোলজি চিকিৎসকরাই যে সঠিক সেবা দিতে পারে। সে ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করে যাচ্ছে। আশার কথা

দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পযর্ন্ত ইউরোলজি সার্ভিস চালু হয়েছে। যে কোন সাধারণ নাগরিক এখান থেকে সেবা পাবেন।

পুরুষাঙ্গ ছোট হওয়ার কারন শেষ উপদেশ

আশাকরি উপরোক্ত পুরুষাঙ্গ ছোট হওয়ার কারন লেখাটি আপনার অনেক উপকারে আসবে। আপনাদের একটি উপদেশ

দিয়ে যাই যদি কোন কারনে পুরুষাঙ্গ জনীত কোন সমস্যায় পড়ে তবে কোন ভাবেই হাতুরে বা কবিরাজের কাছে যাবেন না।

তারা আপনাকে আরো ভয়দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিবে । কাজের কাজ কিছুই হবে না। তাই কবিরাজ হতে

সাবধান। আপনার সুস্থ্য থাকুন সুন্দর থাকুন এ কামনায় আজকের মত বিদায়।

একই আরো যে বিষয় গুলো পড়তে পাড়েন:

১. বাংলাদেশ থেকে রোমানিয়া যাওয়ার উপায়।

২. রোমানিয়া থেকে টাকা পাঠানোর উপায়।

৩. রোমানিয়ার ১ টাকা বাংলাদেমের কত টাকা?

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.