Trending

যোনিতে চুলকানি হলে করনীয়

যোনির রোগের সমাধান

যোনিতে চুলকানি হলে করনীয় কি? এই প্রশ্নটি প্রায় ৯৫ ভাগ মেয়ের প্রশ্ন আবার দু-একজন আছে যারা লজ্জার কারণে অনেকেই এই সমস্যার কথা বলতে চায়না। আর তাদের জন্যই আমার এই লেখা । আপনি ঘরোয়া এবং ওষুধ দুই পদ্ধতিই আমি আলোচনা করবো এখানে আপনার যেটা সুবিধা হয় তার দ্বারা সমাধান করে নিবেন আপনার সমস্যার।

একটি মেয়ের যে কোন বয়সেই এই সমস্যা হতে পারে।  আর এটার কারণও বিভিন্ন হয়ে থাকে। বিভিন্ন গবেষনায় দেখা গেছে প্রতি ১০০ জন মহিলার মধ্যে ৮০ জন মহিলাই এই সমস্যায় পড়ে থাকেন। আর তাই আসুন আপনার এই লজ্জাজনক সমস্যার সঠিক সমাধান কি ভাবে করতে হয় তা  যোনিতে চুলকানি হলে করনীয় লেখা দ্বারা বিস্তারিত বর্ণনা করবো।

সূচিপত্র

যোনিতে চুলকানি হবার কারণ কি?

যোনিতে চুলকানি হলে করনীয়
যোনিতে চুলকানি হলে করনীয়

কথায় আছে রোগ নিরাময় থেকে রোগ প্রতিরোধই শ্রেয়। আর তাই আমরা যদি যোনির চুলকানি দূর করতে চাই তাহলে আমাদের প্রথমে জানতে হবে যোনিতে কেন চুলকানি হয়? চুলকানি হবার কারণ সমূহ। আসুন দেখা যাক কিকি কারণে যোনিতে চুলকানি হয়ে থাকে। সেই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারলে আমরা খুব সহজেই এই জাতীয় সমস্যা থেকে দূরে থাকতে পারবো।

  ছত্রাক জাতীয় আক্রমণের কারনে যোনিতে চুলকানি হয়

আমাদের যোনিতে বা এর আশে পাশে অনেক সময় চুলকানি হয় । আর এই চুলকানির অন্যতম একটি কারণ হতে পারে ছাত্রাকের আক্রমণ।  আর এই রোগের জন্য যে ছত্রাক দায়ী তার নাম হলো Candida Albicans । এটা সাধারণত মেয়েদের যৌনাঙ্গে পরজীবি হিসেবে বসবাস করে ।

আমাদের শরীরে সাধারণত কিছু উপকারি  ব্যাকটেরিয়া থাকে যেমন  ল্যাকলোব্যাসিলাস এরা ছত্রাকের বংশবিস্তারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।  যদি কেহ অধিক এন্টিবায়োটিক খাওয়া বা দুশ্চিন্তায়ার  কারণে এই ব্যাকটেরিয়া মারা যায় যার কারণে ছত্রাক গুলো বংশবিস্তার করার জন্য উপযুক্ত পরিবিবেশ পায় । যার কারণে শরীরে চুলকানি দেখা যায়।

ছত্রাক দ্বারা  যোনিতে চুলকানি হলে কি ভাবে বুঝাযাবে?

যখন আপনার যোনিতে ছত্রাকের আক্রমণ হবে, তখন বেশ কিছু উপসর্গ দেখা দিবে । যেগুলো দেখলে বা দেখা দিলে আপনার বুঝতে হবে আপনার যোনিতে ছত্রাকের আক্রমণ হয়েছে। আর এই সব উপসর্গের মধ্যে প্রধান প্রধান গুলো হলো নিম্নরুপ।

  • যখন এই ছত্রাকের মাধ্যমে আক্রমণ হবে তখন যোনি পথ দিয়ে ঘন সাদা তরল পদার্থ আসতে দেখা যাবে।
  • অধিক চুলকানি হতে থাকবে।
  • যোনিতে ব্যথা হতে শুরু করবে।
  • এই অবস্থায় যৌন মিলন করলে মিলনের সময় ব্যথ্যা হবে।
  • যৌনাঙ্গ দিয়ে গন্ধ আসবে।
  • যৌনাঙ্গ সবসময়  ভেজা থাকবে।

 ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিরে আক্রমনের কারনে যোনিতে চুলকানি

এই রোগের জন্য যতগুলো বিষয় দায়ি তার মধ্যে এটি অন্যতম কারণ। যোনিতে সাধারনত আমাদের কিছু ব্যাকটেরিয়া থাকে কিন্তু যদি এমন হয় এই সমান্য ব্যাকটেরিয়া গুলো বিভিন্ন কারণে অধিক হারে বংশবিস্তার করে তাহলেই দেখা দিবে এই রোগটি। আর ব্যাকটেরিয়া দ্বারা এই রোগটি হলে এটা খুবই কষ্ট দিয়ে থাকে।

ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিরে আক্রমনের লক্ষণ

আপনি বেশ কিছু বিষয় খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন যে  আপনার যোনিটি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে। আর আপনার যোনিটি যদি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয় সেক্ষেত্রে যে উপসর্গ  দেখা যাবে তাহলো নিম্নরুপ। যেমন

  • এই ভাবে যোনিটি আক্রান্ত হলে যোনি দিয়ে মাছের আশঁটের মত গন্ধযুক্ত তরল পদারর্থ বের হবে।
  • এটা দ্বারা আক্রান্ত হলে প্রচুর চুলকানি শুরু হয়ে যাবে।
  • যখন আপনি প্রসাব করবেন তখন প্রসাবের রাস্তা জ্বালাপোড়া করবে।

প্যারাসাইট আক্রমণের কারনে যোনিতে চুলকানি

অনেক সময় যোনিতে প্যারাসাইট আক্রমণের করণেও এই রকম চুলকানি দেখা দিতে পারে। তবে এই ট্রাইকোমোনিয়াসিস এর আক্রমণ অধিক হারে দেখা যায় না। এটা সাধারণত খুব কম লোকেরই হয়ে থাকে। এই প্যারাসাইট দ্বারা যোনি আক্রান্ত হলে বেশ লক্ষণ দেখা যাবে ।

প্যারাসাইট আক্রমণের উপসর্গ

এটা দ্বারা আপনার যোনি আক্রান্ত হলে যে সকল উপসর্গ দেখা যাবে তা নিচে বিস্তারিত দেখানো হলো।

  • যখন এটা দ্বারা যোনিটি আক্রান্ত হবে তখন যোনি থেকে হলুদ ,সবুজ রঙের ও খুব তীব্র দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব হবে।
  • আপনার তলপেটে তখন ব্যাথা হবে।
  • যোনিতে চুলকানি শুরু হবে।

এছাড়াও আরো কিছু কারনে যোনি তে চুলকানি হতে পারে সেগুলো হলো

  • অনেক সময় অপরিস্কার থাকার কারণে যৌনাঙ্গে উকুন ও খোসচড়া ও মাইকোপ্লাজমা জেনেটালিয়াম এর আক্রমণে আপনার যোনিতে চুলকানি হতে পারে।
  •  কিছু রোগের কারণেও হতে পারে যে রোগ গুলো সাধারণত সেক্স করার মাধ্যমে ছড়ায় যেমন – সিফিলিস, গনেরিয়া ও এইডস এ সবের কারনে আপনার যৌনাঙ্গে চুলকানি হতে পারে।
  • বাজারে প্রচলিত মাননিয়ন্ত্রনহীন ক্যামিক্যালদ্বারা তৈরী কৃত পদার্থ ব্যবহার করলে আপনার যোনিতে চুলকানি হতে পারে। আর এর জন্য যে সকল পদার্থ দায়ী সেগুলো হলো ডিটারজেন্ট, পাউডার,সাবান,রঙিন টিসু পেপার,ডুস ,প্যাড ইত্যাদি।
  • মহিলাদের যোনিতে মনোপোজের পর  ইস্ট্রোজেন নামক হরমোন কমে যায়। আার এর কারণে যোনি আস্তে আস্তে শুকিয়ে যায়  যার কারণে দেখা যায় যোনিটি বিভিন্ন রকমের পরজীবীি দ্বারা আক্রান্ত হয় এতে করে যোনিতে চুলকানি শুরু হয়।
  • অনেক মহিলাদের আবার ডায়াবেটিস , রেনাল ডিজিজ, একজিমা ও রক্তে কোন প্রকার রোগ থাকলেও অনেক সময় এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।
  • সাধারণত কিছু মহিলা যার স্বাস্থ্য সচেতন নয় তারা তাদের মাসিকের সময় ময়লা ও অ-স্বাস্থ্যকর কাপড় বা প্যাড ব্যবহার করে থাকে এতে করে তাদের চুলকানি হয়ে থাকে।
  • চুলকানি অনেকটা ছুয়াচে রোগ একজন থেকে আরেকজনের হয়ে থাকে তাই অবধা যৌনাচার করার কারনেও  এটা হয়ে থাকে।
  • যদি কেহ সবসময় অপরিস্কার থাকলেও এই সমস্যা হতে পারে।

 যৌনাঙ্গে চুলকানি না হবার জন্য করণীয়/ যৌনাঙ্গে চুলকানি প্রতিরোধ

যোনিতে চুলকানি হলে করনীয়
যোনিতে চুলকানি হলে করনীয়

ইংলিশ একটি কথা আছে প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর, অর্থাৎ রোগ নিরাময়ের চেয়ে প্রতিরোধই শ্রেয়। তাই আমাদের যেন এই ধরনের বাজে ধরনের চুলকানি না হয় সে জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। আমরা এ জাতীয় সমস্য থেকে দূরে সরে থাকতে পারি, তার জন্য যে সকল পদক্ষেপ নেওয়া অত্যাধিক প্রয়োজন সেগুলো হলো নিম্নে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।

আপনি যদি এই নিয়মগুলো অনুসরণ করেন তবে চুলকানির মত বাজে অবস্থা আপনার তৈরি হবে না। আসুন কোন কাজগুলো করলে আমাদের যোনি চুলকানি থেকে দূরে সরে থাকতে পারবো সেগুলো দেখে নেই।

  1. প্রথমেই আমাদের যে কাজটি করতে হবে তাহলো আপনাকে সবসময় পরিস্কার পরিছন্ন থাকতে হবে। যাতে করে যোনিতে কোন প্রকার ময়লা না থাকতে পারে।
  2. কোনভাবেই বেশি রঙিন ও সুগন্ধিযুক্ত সাবান ও টিস্যু যৌনাঙ্গে ব্যবহার করা যাবে না।
  3. অনেক সময় আমরা ফেমিনিন হাইজিন স্প্রে ও ডুশ ব্যবহার করে থাকি কিন্ত এটার ব্যবহার করা যাবে না।
  4. গোসল করার পর বা শরীর অত্যাধিক ঘেমে গেলে তখন আমরা শরীর ভিজা থাকে এভাবে শরীর বা কাপড় ভেজা থাকা যাবে না।
  5. চুলকানি প্রতিরোধে দই খাওয়া উচিত  কারণ এতে ল্যাকটোব্যাসিলাস নামক উপকারী ব্যাবটেরিয়া থাকে যা চুলকানি প্রতিরোধে কাজ করে।
  6. আরাম দায়ক ও পরিস্কার পেন্টি পড়ুন।
  7. সবসময় ডায়াবেটিস চেকআপ করে নিয়ন্ত্রন রাখতে হবে।
  8. অবাধ সহবাস থেকে বিরত থাকুন প্রয়োজনে কনডম ব্যবহার করুন।
  9. বিশেষ করে মাসিকের সময় অপরিস্কার কাপড় বা প্যাড ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
  10.  যৌন মিলনের পর যৌনাঙ্গ ভালভাবে পরিস্কার করতে হবে।
  11. সহবাসের শেষ হবার সাথে সাথে প্রসাব করুন।
  12. প্রতিদিন প্রয়োজন অনুযায়ী গোসল করুন।

যোনিতে চুলকানি হলে করনীয়

যদি কোন কারণে যোনিতে চুলকানি হয়, তাহলে আমরা দুটি উপায়ে আমাদের এই চুলকানি দূর করতে পারব। আর সেই দুটি উপায় এর মধ্যে একটি হল, বাজারে বিভিন্ন কোম্পানি ওষুধ দ্বারা এবং সেই ওষুধ অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে। আরেকটি উপায় হলো ঘরোয়া পদ্ধতিতে।

আপনি যদি বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করুন তাহলে সহজেই আপনার চুলকানি দূর হয়ে যাবে। আসুন আমরা নিচের দুটি পদ্ধতিই নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা করবো। যেখানে  তুলে ধরা হবে কিভাবে আপনার গোপনাঙ্গের চুলকানি দূর করতে পারবেন।

যোনির চুলকানি দূর করার ঔষধ

সতর্ক থাকার পরেও যদি কোন কারণে আপনার যোনিতে চুলকানি দেখা যায় বা চুলকানি শুরু হয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে আপনি কিছু ওষুধ ব্যবহার করার মাধ্যমে দূর করে নিতে পারেন আপনার এই বাজে সমস্যার।  তার জন্য আপনি নিম্নোক্ত ঔষধ সমুহ ব্যবহার করতে পারেন । তবে অবশ্যই যে কোন ওষুধ নেয়া বা খাওয়ার আগে একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ক্রমে তা গ্রহণ করবেন।  ওষুধের নাম সমুহ হলো –

  • Ketoconazole.
  • Miconazole.
  • Clotrimazole.
  • Tioconazole.
  • Fluconazole
  • Lactobacillus acidophilus

এই ওষুধ গুলো আপনি খেতে পারেন তবে  এগুলো যেহেতু এন্টিবায়োটিক তাই এর কোর্স হচ্ছে ৩ থেকে ৫ দিন ।

যোনিতে চুলকানি হলে ঘরোয়া উপায়

যোনিতে চুলকানি হলে একদিকে যেমন ওষুধ গ্রহণ করলেও নিরাময় হয়, অন্যদিকে ঘরোয়া কিছু টিপস আছে যেগুলো অনুসরণ করলে আপনি চুলকানি নিরাময় করে নিতে পারবেন। আর তার মধ্যে যে সকল পদ্ধতি গুলো বিশেষভাবে কার্যকরী সেগুলো নিম্নে প্রদান করা হবে।

সোডার ব্যবহার দ্বার যোনির চুলকানি নিরাময়

আমরা অনেকেই জানি বাজারে অনেক ধরনের সোডা পাওয়া যায় তার মধ্যে বেকিং সোডা একটি। অনেকের যোনিতে ছত্রাকের সংক্রমণের কারনে চুলকানি হয়। আর এ ধরনের সমস্যায় যদি সে বেকিং সোডা (১ থেকে ২ কাপ) এক বালতি  পানির সাথে মিশিয়ে গোসল করে বা যোনি পরিস্কার করার কাজে ব্যবহার করে তাহলে ভাল ফল পাওয়া যায়।

বিভিন্ন গবেষণায় এর প্রমান পাওয়া গেছে যেমন ২০১৪ সালের গবেষণায় দেখা গেছে বেকিং সোডায় ক্যান্ডিডা কোষকে মেরে ফেলে। আর এর দ্বারা প্রমানিত হয় যে ছত্রাক দ্বারা তৈরীকৃত চুলকানি নিরাময়ে বেকিং সোডা খুবই কার্যকরী।

নারকেল তৈলের ব্যবহার করে যোনির চুলকানি দূর

বহুকাল আগ হতেই আমাদের দাদী নানীরা এই রোগের জন্য নারকেল তৈলের ব্যবহার করে আসছে ।  ২০১৬ সালের এক গবেষনায় প্রমানিত হয় যে নারিকেল তেল ক্যান্ডিডা অ্যালবিব্যান্স এর বিরুদ্ধে অত্যন্ত কার্যকরী। তাই যে কোন ধরনের ছত্রাকের আক্রমণ রোধে নারকেল তেলের ব্যবহার করা যাবে। এতে করে আপনার যোনির চুলকানি উপশম হবে।

খাবার গ্রহণের মাধ্যমে যোনির সারিয়ে তুলা

যে খাবার গুলোর প্রোবায়োটিক সে গুলো আমাদের অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী পাশাপশি গোপনাঙ্গের স্বাস্থ্যর জন্যও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আর তাই আমাদের এই রোগ দেখা দিলে বা প্রতিরোধ আমাদের খাবার তালিকায় এই খাবার গুলো রাখা উচিত তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হলো

  •  দই
  • কম্বচা
  • কিসমিস ইত্যাদি।

নিমপাতার রস বা নিম পাতার ব্যবহার করে যোনির চুলকানি নিরাময়

নিম পাতাকে বলা হয় প্রকৃতিক ভেষজ। এর মধ্যে রয়েছে নানান প্রকারের ওষুধী গুনাগুন। বহুকাল আগ হতেই বিভিন্ন রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয় এই নিম পাতাকে। আর তাই কারো যদি যোনিতে চুলকানি হয়ে থাকে তহলে নিম পাতা দিয়ে পানি গরম করে সেই পানি দ্বারা গোসল বা যোনি পরিস্কার করলে খুব তারাতাড়ি আপনার যোনির চুলকানি সেরে যাবে।

(আপনি যদি কৃষি বিষয়ক তথ্য পেতে চান তাহলে আমাদের এই চ্যানেলটি দেখতে পারেন)

শেষ কথা বলে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়

ইনশাল্লাহ উপরের টিপসগুলো আপনার অনেক কাজে লাগবে। আপনি যদি এই টিপসগুলো ফলো করেন , তাহলে একদিকে যেমন আপনি চুলকানি থেকে নিরাময় পাবেন। অন্যদিকে আপনি চুলকানি জাতীয় সমস্যা থেকে দূরে সরে থাকতে পারবেন।  তবে উপরের প্রতিরোধ টিপসগুলো একশভাগ ফলো করবেন তাহলে দেখবেন আপনার এই বাজে সমস্যা সম্মুখীন হতে হবে না।

আর আপনাদের কাছে একটি অনুরোধ করছি যদি উপরের টিপসগুলো আপনার কাজে লেগে থাকে তবে অবশ্যই আমার এই লিখাটি বিভিন্ন মাধ্যমে শেয়ার করবেন। যাতে করে আপনার মত অন্যরাও উপকার  লাভ করতে পারে ।  আর এটাও হতে পারে আপনার ভালো কাজের একটি অংশ ।

তাই আজ কথা না বাড়িয়ে এখানেই শেষ করবো, আপনাদের আরো কোন বিষয়ে জানার থাকলে আমাদের লিখতে পারেন। আমরা আপনার মতামতের মূল্যায়ন দিব। ধন্যবাদ কষ্ট করে এই লিখাটি পড়ার জন্য।

আরো পড়তে পারেন:

১. দুধ ম্যাসাজ করার পদ্ধতি

২. কলা খাওয়ার উপকারিতা

৩. রসুন খাওয়ার উপকারিতা।

৪. যৌবন শক্তি বৃদ্ধির উপায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.