Trending

সবচেয়ে কার্যকরী ঘরে বসে যোনি টাইট করার সহজ উপায়

যোনি ছোট করার উপায়

যোনি টাইট করার উপায়: বন্ধুরা আজকে আমি একটি গোপন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করবো। এ বিষয়টা অনেকেই জানতে চায়, কিন্তু লজ্জার কারনে জানতে পারেনা। আমাদের যারা মা, বোন আছে বিশেষ করে যাদের বিবাহিত জীবনের পাঁচ থেকে দশ বৎসর চলে গেছে, এবং বাচ্চা হয়ে গেছে । তারা অত্যাধিক সাংসারিক টেনসনে এবং বাচ্চা নরমাল প্রসবের কারণে এই যোনি ঢিলা হওয়া সমস্যায় ভোগেন। বাচ্চা প্রসবের পর মূলতি এই সমস্যাটি মায়েদের বেশি দেখা যায়।

আসলেই এটা একটা অনেক বড় ধরনের সমস্যা বলবো । এই সমস্যায় পড়েন শতকরা ৯৫ জন মা। অনেক সময়  তারা নিজিই মনের এই কষ্টটা বহন করে চলে দিনের পর দিন। কোনদিনও  সমাধান খুঁজে পায়না । তাই আপনারা যারা এই লেখাটি পড়বেন তাদের কে অনুরোধ করছি বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন আপনার পরিচিত লোজজনের সাথে ।

যেন আমার এই লেখা সকল মা বোন দেখতে পারে । আর যারা এই মনের চাপা কষ্ট নিয়ে বসবাস করতেছেন বলতে পারতেছেনা কারো কাছে । তারা যেন এই লেখাটি পড়ে ব্যাপকভাবে উপকৃত হতে পারে। আমি চাই এই সমস্যা যেন কারো না হয়। সবাই আমরা হাসিখুশি এবং সুন্দর ভাবে বসবাস করতে পারি।

আর এই কঠিন সমস্যাটি  সমাধান করে নিতে পারেন ঘরোয়া পদ্ধতিতে। তাই আসুন আজকে আমি বেশ কিছু পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করবো। যোনি টাইট করার উপায় বিষয়টা আমাকে লেখার অনুরোধ করার পর আমি অনেক ঘাটাঘাটি করে দেখেছি । অনেকেই অনেক পদ্ধতি বলেছেন, কিন্তু বেশির ভাগ পদ্ধতিই  মানুষকে হয়রানি করার জন্য শুধু।

এ সমস্যার সমাধান কেবল আপনি কয়েকটি পদ্ধতিতে অনুসরণ করলে আল্লাহর রহমতে ভাল করে নিতে পারেন।  তাছাড়া আমার জানামতে বাকি পদ্ধতি গুলো সব হচ্ছে শুধু আপনাদের কষ্ট দিবে। সেটা কাজে আসবে না, আর তাই আমি আজকে শুধু সেই তিনটা পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করব।

অন্য যেগুলোর কোন বিজ্ঞানভিত্তিক প্রমাণ নেই সেগুলো নিয়ে আলোচনা করার প্রয়োজন মনে করি না। কারণ আমি শুধু চাই আপনাদের উপকার করার জন্য, আমি চাইনা কোন একটি লেখা পড়ে আপনি সেই কাজটি করতে গিয়ে নিজে আরো বড় ক্ষতির সম্মুখীন হন। তাই আমরা যে পদ্ধতিটি বলব সেটা হচ্ছে বিজ্ঞান ভিত্তিক এবং পরীক্ষিত।

আপনি ইচ্ছে করলে এই যোনি টাইট করার উপায়  অনুসরণ করতে পারেন। তাহলে আপনি সহজেই আপনার সমস্যা সমাধান করে নিতে পারবেন ইনশাল্লাহ।

যোনি ঢিলা হবার কারণ

সাধারণত কুমারী মেয়ে যারা এখনও বিবাহ বা কোন প্রকার শারীরিক সম্পর্কে জড়ায়নি তাদের এই সমস্যা হয়না । এই সমস্যাটি মূলত বিবাহ হবার পর বা দীর্ঘ সময় সেক্স করলে এই ধরনের সমস্যাটি দেখা যায়। এছাড়াও আরো যে সেকল কারনে এই সমস্যা দেখা যায় তাহলো যদি কারও বাচ্চা প্রসবটি নরমাল ডেলিবারি মধ্যমে হয়ে থাকে।

আবার অনেক মা-বোন অনেকদিন যাবত রোগে ভুগলেও এই সমস্যা হতে পারে। অনেক সময় মানসকি দু-চিন্তার কারনেও এই সমস্যা দেখা যেতে পারে। আবার বর্তমানে অনেকেই যৌনাচার করার সময় বিভিন্ন টয় ব্যবহার করে থাকেন যার ফলেও এই ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে। এছাড়া তেমন কোন কারন নেই যোনি ঢিলা হবার জন্য ।

যোনি টাইট করা কেন প্রয়োজন?

যারা যোনি ঢিলা জনীত সমস্যায় ভূগতেছেন তারাই একমাত্র জানেন এটা কত বড় সমস্যা। এই সমস্যার কারণে দিনের পর দিন মানসিকভাবে হতাশ হয়ে পড়ে। এর থেকে দেখা যায় বিভিন্ন শারীরিক রোগ। জীবনে নেমে আসে দুঃখ-দুর্দশা । এর ফলে অনেকের সংসার পর্যন্ত ভেঙে যায়। যার কারণটি বলতে পারে না কারও কাছে।

তাদের মনের কষ্টের  কথাগুলো মনেই থেকে যায় । এছাড়াও তারা পারিবারিকভাবে কোন শান্তি পায় না। যৌনমিলন তাদের কাছে এক মানুষিক অশান্তির নাম। তাদের স্বামীরা তাদের কাছ থেকে পরিপূর্ণ তৃপ্তি পায় না। আর তৃপ্তি না পাওয়ার কারনে সংসারে তৈরি হয় দ্বন্দ্ব-কলহ। আর এই দ্বন্দ একসময় গড়ায় সংসার ভাঙ্গ পর্যন্ত।

আর এই কারনেই আমাদের এই সমস্যার সমাধান করা খুবই জরুরি । যা পারে  একটি সংসারে শান্তি বজায় রাখতে।

যোনি টাইট করার উপায়/যোনি ছোট করার উপায়

যারা দীর্ঘদিন ধরে যোনি ঢিলা জনিত সমস্যায় ভুগতেছেন, তারা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে থাকেন কিভাবে তাদের এই সমস্যার সমাধান হয়। অনেকেই আবার প্রতারকের চক্করে পড়ে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকেন। তাই আপনাদের অনুরোধ করে বলছি কারো কথায় প্রতারিত হয়ে বাজারের কোন ধরনের ওষুধ কিনে খাওয়া বা  ব্যবহার করবেন না ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া।

এগুলোর কোন বিজ্ঞানভিত্তিক  যুক্তি নাই। এগুলোর ফলাফল অনেকটাই শূন্য। আপনার হাতে কিছু ওষুধ ধরিয়ে দিয়ে কিছু বয়্যাম কতে বলবে। আর আপনি যদি ওষুধ না খেয়েও এই নিয়মকানুন মেনে চলেন তাহলে কিছু উপকার এমনিতেই পাওয়া যায়। ওষুধের কারণে কোন ধরনের উপকার হয়না।

আজ আমি আপনাদের যে কয়েকটি বিষয়ে বলব সেগুলো বিজ্ঞানভিত্তিক এবং ব্যবহার করে অনেকেই এর ফলাফল পেয়েছেন। তাই আসুন কিভাবে আপনার সমস্যার সমাধান করে নিতে পারবেন সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করি। এখানে মূলত আমরা চারটি উপায় নিয়ে আলোচনা করবো যেগুলোর ১০০ ভাগ কার্যকরীতা আছে।

  • সার্জারির মাধ্যমে যোনিকে টাইট করতে পারেন।
  • শারীরিক ব্যায়ামের মাধ্যমে সমাধান করতে পারেন এই সমস্যার।
  • প্রাকৃতিক ভেষজের মাধ্যমে।
  •  ধর্মীয়ভাবে সমাধান।

সার্জারির মাধ্যমে যোনিকে টাইট

বর্তমানে পৃথীবির বিভিনন্ন দেশেই এই পদ্ধতিটি অনুসরণ করা হয়। বিশেষ করে বিশ্বের উন্নত দেশসমূহে এর প্রচলন আরো বেশি। বাংলাদেশ সহ এশিয়ার দেশগুলোতে এই পদ্ধতিটি এখনও তেমন একটা প্রচলিত নয়। তবে যাদের যোনি ঢিলা জনিত সমস্যা আছে তাদের জন্য এই পদ্ধতিটি ১০০ ভাগ কার্যকরী পদ্ধতি। কোন প্রকার জামেলা ছাড়াই আপনি সার্জারি করিয়ে নিতে পারেন।

এতে করে আপনার অনেক দিন বিশ্রাম বা কাজের ক্ষতি হবে না। আপনি সার্জারি করার কিছু সময়ের মধ্যেই আপনি বাড়ি চলে আসতে পারনে এবং যেখানে আপনি সুধু ৬ সপ্তাহ  সহবাস করা  থেকে বিরত থাকতে হবে। এর পর থেকেই আপনি সবকিছুই স্বাভাবিক ভাবে করতে পারবেন। অনেকেই মনে করে থাকেন যদি কেহ সার্জারি করে তবে পরবর্তীতে বাচ্চা নেয়ার সময় সমস্যা হয় ।

এটাও একটি ভূল ধারনা। কারণ অনেক প্রমাণ আছে যারা এই পদ্ধতিটি নেয়ার পর পরবর্তীতে স্বাভাবিক ভাবেই বাচ্চা প্রসব করেছেন। এতে করে তাদের কোন প্রকার জামেলা হয় নাই।

আপনার সমস্যার জন্য আপনি ইচ্ছে করলে উপরের দেয়া ঠিকানার ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

শারীরিক ব্যায়ামের মাধ্যমে যোনি টাইট করার উপায়

শারীরিক ব্যায়ামের মাধ্যমে যোনি টাইট করার যে সকল ব্যায়াম আছে তারমধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য এবং কার্যকরী ব্যায়াম হচ্ছে কেগেল ব্যায়াম। এই ব্যায়ামের মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই আপনার যোনিকে  একদম কুমারী মেয়েদের মতো করে তুলতে পারবেন। তাই আসুন কেগেল ব্যায়াম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করি যাতে করে আপনার সমস্যার সমাধান করতে পারেন ঘরে বসেই, কোন প্রকার টাকা পয়সা ছাড়া।

যোনি টাইট করার উপায়
যোনি টাইট করার উপায়

যোনি টাইট করার জন্য কেগেল ব্যায়াম: এই  ব্যায়াম করার জন্য আপনাকে যা করতে হবে তাহলো। আপনাকে আগে

একটি বিষয় নিশ্চিত করতে হবে আর তাহলো আপনার মূত্র বা পায়খানা নিয়ন্ত্রন করার জন্য আপনি কি পদ্ধতিটি ব্যবহার

করেন। আর সেই পদ্ধতিটি ব্যবহার করেই আপনি সমাধান করে নিতে পারেন আপনার সমস্যার। যেমন আপনি প্রথমে

প্রসাব করার জন্য যাবেন এবং চেষ্টা করবেন প্রসাব করার মাঝখানে হাত বা কোন ধরনের বাহিরের দ্রব্য ব্যবহার না করে

প্রসাবকে আটকিয়ে দিতে । ঠিক যে পদ্ধতিটি ব্যবহার করে আপনি আপনার প্রসাব আটকিয়ে দিয়েছেন সেই ভাবে প্রতিদিন

দিনের ভিবিন্ন সময় ব্যায়াম করুন ২০০ থেকে ৩০০ বার । তাহলেই দেখবেন অল্পকিছু দিনের মধ্যেই আপনি আশানুরুপ

ফল পেয়েছেন।  আপনার যোনিটি টাইট হয়েগেছে যুবতী নারীর মত।

প্রাকৃতিক ভেষজের মাধ্যমে যোনি টাইট করার উপায়

অনেকেই অনেক প্রকারের ভেষজের কথা বলে থাকে যোনি টাইক করার জন্য । কিন্তু তাদের মধ্যে বেশির ভাগেরই কোন

ভাল ফলাফলের প্রমান পাওয়া যায়না। ডাক্তার থেকে শুরু করে সবােই যে প্রাকৃতিক ভেষজের কথা বলে থাকেন তাহলো

যোনি টাইট করার জন্য আমলকির  ব্যবহার। যদি কেই নিয়মিত আমলকির ভেষজ ব্যবহার করে তবে অল্প কিছুদিনের

মধ্যেই তার যোনি অনেক টাইট ও সুন্দর হয়ে যায়। আর তার জন্য আপনাকে যে ভাবে আমলকি ব্যবহার করতে হবে

তাহলো প্রথমে আপনি ১ কেজি পরিমাণ আমলকি নিবেন এবং সেই আমলকি গুলো ভিতরের বীজ আলাদাকরে

সেগুলোকে অল্প একটু পানি দিয়ে সিদ্ধ করতে হবে। এবং এগুলো ভাল ভাবে পেষ্ট করার জন্য ভাল ভাবে নাড়াচাড়া করতে

হবে। যাতে করে এগুলো ভালভাবে মিশে জেলির মত হয় । যখন জেলির মত হবে তখন এগুলো কাঁচের বোতলে সংরক্ষণ

করে প্রতিদিন গোসলের আগে পাতলা কাপড়ে অল্পপরিমাণ নিয়ে যোনির ভিতরে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রাখতে হবে তার পর

গোসল করে নিবেন । তবে খেয়াল রাখতে হবে কোন ভাবেই কাপড় সহ ভিতরে চলে না যায়। এভাবে মাত্র ১ থেকে ২ মাস

ব্যবহার করে দেখুন ভাল ফল পাওয়া যাবে । অনেকেই এই পদ্ধতি ব্যবহার করে ভাল ফল পেয়েছে। প্রয়োজনে আপনি

আমলকির জেলি সংরক্ষণ করার সময় মাঝে মাঝে রৌদ্রে শুকাতে পারেন । কিন্তু ফ্রিজে রাখলে এর গুনাগুন অনেক কমে

যেতে পারে।

ধর্মীয়ভাবে যোনিকে টাইট করার উপায়

আল্লাহপাক সকল সমস্যার সমাধান রেখেছেন তার পাক কুরআন শরীফ মধ্যে । আর এই সমস্যার সমাধানও আপনি করে

নিতে পারবেন তার কুরআন শরীফের এই আয়াতের মাধ্যমে। আর এর জন্য আপনাকে যা করতে হবে।  সূরাতুন হুদ এর ৪

নং আয়াতের এই অংশটি ‘’ওয়াহুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কদির” প্রতিদিন ১০০ বার সন্ধার পূর্বে একটু অলিভয়েল অথবা

নারকেল তৈল এর উপর পরে ফুদিয়ে সেই তৈল রাত্রে ঘুমানোর আগে যোনিতে লাগাতে হবে। এবং উক্ত আয়াতটি পড়ে

প্রতিবার নামাজের পড়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করতে হবে। এতে করে দেখবেন অল্প কিছুদিনের মধ্যেই আল্লাহ আপনার

সমস্যার সমাধান করে দিয়েছে।

শেষ কথাটাও অনেক গুরত্বপূর্ণ হবে

আশা করি উপরের যোনি টাইট করার উপায় লেখাটি পড়ে আপনার অনেক কাজে লাগবে। একই সাথে আপনার যদি

উক্ত সমস্যাটি নাও হয়ে থাকে, তবে যাদের এই ধরনের সমস্যা আছে তাদেরকে এই লেখাটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ

করছি। কারণ অনেকেই আমরা জানিনা কার এই ধরনের সমস্যা আছে। আর তা না জানার কারণে আমরা অনেকেই এই

সমস্যার সমধান খুজে পাইনা যার কারণে ভুগে থাকি এই সমস্যায়। আপনার একটা শেয়ারের কারণে অনেকেরই উপকার

হতে পারে। সমাধান করে নিতে পারে তাদের নিজেদের সমস্যাগুলো । আপনাদের সর্তকতার জন্য একটি বিষয় বলা

প্রয়োজন কোনভাবেই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া বাজার থেকে কোন ধরনের ওষুধ আপনারা কিনে ব্যবহার করা বা

খেতে যাবেন না । এতে করে আপনার আরো বড় ধরনের সমস্যা হতে পারে । তাছাড়া অনেকেই বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতির

বলে থাকে। যেগুলো আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই এই বিষয়ে সাবধান হোন, উপরোক্ত বিষয়গুলো

আপনার কতটুকু কাজে লেগেছে সে বিষয়টি আমাদেরকে অবশ্যই কমেন্টে করে জানাবেন । ধন্যবাদ কষ্ট করে লেখাটা

প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ার জন্য। ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন।

আরো পড়তে পারেন:

১. দুধ ম্যাসাজ করার পদ্ধতি

২. কলা খাওয়ার উপকারিতা

৩. রসুন খাওয়ার উপকারিতা।

৪. যৌবন শক্তি বৃদ্ধির উপায়।

৫. যোনি ফর্সা করার উপায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.