Trending

যোনি ফর্সা রাখার উপায়

যোনি কিভাবে সুন্দর করা যায়?

যোনি ফর্সা রাখার উপায়: আজকে আমি এমন একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করব, যে বিষয়টি মেয়েদের জন্য বিশেষ প্রয়োজনীয়। এই যোনি কালো সমস্যা  নিয়ে চিন্তিত থাকে অধিকাংশ নারী। আর আজকে আমি আলোচনা করবো  তাদের এই যোনির কালো কিভাবে দূর করতে পারে। আর তাই আজকের আলোচনার পর থেকে তাদের আর চিন্তার কোনো কারণ থাকে না।

তারা পেয়ে যাবে তাদের এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান। যাদের যোনি কালো তারা অনেক সময় লজ্জাবোধ করে থাকে তার সঙ্গীর কাছে।  তাদের সঙ্গীর কাছে সবসময় হীনমন্যতায় ভোগে । আর তাই তারা সবসময় চিন্তায় থাকে কী করে এই সমস্যার সমাধান করা যায়। তাদের জন্য মূলত যোনি ফর্সা রাখার উপায় আলোচনাটি খুবই কার্যকরী।

আশা করি আজকের এই আলোচনার মাধ্যমে পেয়ে যাবেন একটি স্থায়ী সমাধান । আজকের পর থেকে আপনাকে আর দুশ্চিন্তায় ভুগতে হবে না। আপনি স্থায়ীভাবে পেয়ে যাবেন আপনার কাল যোনি ফর্সা করার উপায়। তো চলুন লেখাটা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়তে থাকুন যোনি ফর্সা রাখার উপায় জেনে নিন আপনার সমস্যার সমাধান।

সূচিপত্র

কেন যোনি ফর্সা রাখা প্রয়োজন?

যেহেতু সুন্দর যোনি একটি আকর্ষণীয় বিষয়। সব তরুনীই বা সব মেয়্চেই চায় তার যোনিটি অনেক সুন্দর লাগুক । সুন্দর সে তো আকর্ষণীয় তাই আমাদের শরীরের মত যদি আমাদের যোনিটিও সুন্দর হতো। তাহলে হয়তো আমাদের সঙ্গীর কাছে আমরা আরো বেশি আকর্ষণীয় হতাম । সে হয়তো আরো আকর্ষণীয় ভাবে আমার সাথে মিশতো ।

এই প্রত্যাশা থেকে সব মেয়েই  চায় তার  যেনিটি  অনেক সুন্দর লাগুক। তাছাড়াও আমরা বিভিন্ন সিনেমায় দেখি কত সুন্দর যোনি গায়ের রং এর মত দেখতে অনেক সুন্দর এটা দেখেও আমাদের মনে ইচ্ছে জাগে। তাই আমাদের ইচ্ছা হয় যেভাবেই হোক আমরা চাই আমাদের সুন্দর একটি যোনি থাক এজন্যই সবাই খুঁজতে থাকে কিভাবে এটাকে আরো বেশি সুন্দর করা যায়।

কিকি করণে যোনির রং কালো হয়ে যায়

শরীরের তুলনায় যোনি তুলনামূলকভাবে কালো থাকে এটা প্রাকৃতিক নিয়ম। এর কোন নির্দিষ্ট ব্যাখা নেই  এটা  প্রকৃতিগত  সমস্যা। নির্দিষ্ট কোন কারণ না থাকলেও অল্প কিছু কারনেও অনেক সময় এই সমস্যা হতে পারে তবে এই সমস্যা খুব কম সময়ই দেখা যায়। যে সকল কারণ গুলো যোনি কালো হবার জন্য দায়ী কারণগুলো নিম্নে উপস্থাপন করা হলো।

  • অত্যধিক মোটা হয়ে শরীরের ভাজ পরলে।
  • লোম পরিষ্কারের সময় বিভিন্ন খারাপ বা কম মানের  কেমিক্যাল বারবার ব্যবহার করলে।
  • অধিক ক্ষারযুক্ত সাবান ব্যবহার করলে।
  • অধিক ব্লিস জাতীয় দ্রব্য ব্যবহার করলে।
  • কোন ধরনের চর্ম রোগে আক্রান্ত হলেও এরকম হতে পারে।
  • সহবাসের সময় হাত  দ্বারা অত্যাধিক ঘষাঘষি করা হলেও এরকম হতে পারে।
  • বংশগত কারণ।
  • আবহাওয়া জনিত কারণ।

যোনি ফর্সা রাখার উপায়

আমি প্রথমেই বলেছি যাদের যোনি বিভিন্ন কারণে কালো হয়ে গেছে , আজকের পর থেকে তারা আর কোন চিন্তা নেই। কারণ আমি আপনাদের এমন কিছু উপায় বলে দিব যা করলে ১০০ ভাগ আপনার কালো যোনি আগের মত সুন্দর হয়ে যাবে। আমি আপনাদেরকে বাজারে প্রচলিত কোনো ক্রিমের নাম বলবো না।

কারণ আমরা সবাই জানি বাজারে প্রচলিত ক্রিম আপনার উপকারের চেয়ে ক্ষতি বেশি করতে পারে অনেক সময়। তাই আমি আপনাদেরকে যে উপদেশ গুলো দেবো সেগুলো একদম ন্যাচারাল, এবং বিভিন্ন জন ব্যবহার করার ফলে পরীক্ষিত। আর তাই আপনাদেরকে আমি এই কথাগুলো বলে দিচ্ছি যাতে করে আপনারাও এগুলো ব্যবহার করেন।

এটা ব্যবহারে নিশ্চিত উপকার পাবেন। আমি আপনাদের বেশ কয়েকটি পদ্ধতি বলে দিব। তার মধ্য থেকে আপনার যেটা সহজ এবং আপনার যেটা পছন্দ হয় সেটাই ব্যবহার করবেন। কারণ সবগুলোর কাজ একই, শুধু আপনার সুবিধামতো আপনি বানিয়ে নেবেন। আর ব্যবহার করুন যেটা আপনার ভালো লাগে।

ফর্মুলা -০১ : যোনি ফর্সা করতে   টক দই, হলুদ ও লেবুর রস।

আপনি যদি আপনার যোনি স্থায়ীভাবে ফর্সা করতে চান, এবং এর কালো ভাব দূর করতে চান, তাহলে প্রথমে আপনি

  • দুই চা চামচ টক দই।
  • ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়া।
  • ১ চা চামচ লেবুর রস ।
  • এক চা চামচ নারকেল তেল।

ভাল করে মেখে একটি পেস্ট বানাবেন। সেই পেস্ট বানানোর পর, সেটা আপনার গোপন অঙ্গে সুন্দর করে মাখবেন। মাখার পর তা আস্তে আস্তে মেসেজ করতে থাকবেন। মেসেজ করার পর সেটা ২৫ থেকে ৩০ মিনিট রেখে দেবেন। রেখে দেওয়ার পর এবার গোসল করবেন। গোসল করার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে,

আপনি যে সাবান ব্যবহার করতেছেন সেটা যেন ph7 এর কম হয়। অথবা আপনি শুধু একটু হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে পারেন। প্রয়োজনে হালকা  গরম পানির মধ্যে একটু লবণ দিতে পারেন এটাই যথেষ্ট । এভাবে ধুয়ে এবার আপনি নারকেল তেল লাগান দেখবেন এভাবে কয়েক দিন ব্যবহার করার ফলে আপনার গোপনাঙ্গ আগের থেকে অনেক সুন্দর হয়ে গেছে।

ফর্মুলা -০২: কফি ,চিনি,গোলাপ জল দ্বার যোনি ফর্সা করা।

এই রঙ ফর্সাকারী প্যাক বানাতে  আপনাকে যা করতে হবে।  প্রথমে আপনি এক চামচ কফি নেবেন, অথবা বাজারের ছোট প্যাকেট গুলো পাওয়া যায় তার এক প্যাকেট কফি নিবেন। এর সাথে নিবেন আপনি হাফ চামচ চিনি। আর তার সাথে নিবেন ২ চামচ গোলাপজল। আপনাদের যদি গোলাপ জল  না থাকে সে ক্ষেত্রে আপনি দুধ নিতে পারেন।

এবার এগুলো নেওয়ার পর আপনি ভালভাবে মিশিয়ে নেবেন।  যাতে করে আপনার কোন ধরনের শক্ত জাতীয় পদার্থ না থাকে । এখন আপনার বানানো সেই পেষ্টটা আপনি গোসলের আধাঘন্টা আগে আপনার গোপন জায়গায় ভালভাবে লাগিয়ে নিন। লাগানোর পর হাত দিয়ে সুন্দর করে মেসেজ করে সুন্দর ভাবে লাগিয়ে নিন।

আপনি খিয়াল রাখবেন আপনার যতটুকু জায়গা কাল ভাব আছে সবটুকু জায়গায় লাগাতে হবে। এভাবে আপনি ৩৫ থেকে ৪৫ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর সুন্দর করে নরম কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করে গোসল করুন। গোসল করার পরবর্তীতে অলিভ অয়েল তেল সেই জায়গাটায় ব্যবহার করেন । এভাবে দেখবেন কয়েক দিন ব্যবহার করার ফলে আপনার যোনির ত্বক উজ্জ্বল হয়ে গেছে।

ফর্মুলা -০৩: ইজি স্কিন লাইটেনিং মাস্ক প্যাক দ্বারা যোনি ফর্সা করা

এই প্যাকটি বানাতে আপনার যে সকল উপকরণ লাগবে সেই সকল উপকরণ গুলো হল। হাফ চামচ হলুদের গুড়া। এক চামচ এলোভেরা জেল । এক চামচ টক দই। এবার এই সব উপকরণ নিয়ে সুন্দর করে এগুলো মিশাতে হবে । এবার আপনি আপনার যে স্থানে কালো দাগ বা কালো ভাব আছে সেই জায়গায় ভালো করে লাগিয়ে রাখতে হবে।

লাগিয়ে রাখার পর ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। অপেক্ষা করার পর হালকা গরম জল দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিন। এভাবে সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন করতে হবে। তাহলে দেখবেন আপনার অল্প কয়েকদিনের মধ্যে অনেক পরিবর্তন এসেছে। আপনার জায়গাটি আগের থেকে অনেক বেশি সুন্দর লাগছে।

ফর্মুলা -০৪: যোনির স্কিন ফর্সা কারি প্যাক

এই প্যাকটি ব্যবহার করলে আপনার কালো দাগ দূর হবে নিমিষেই। আপনি ফিরে পাবেন আপনার পুরানো সৌন্দর্য । আর তাই দেরি না করে আপনি ব্যবহার করতে পারেন আমাদের দেওয়া এই প্যাকটি। আপনাদের সুবিধার্থে বলছি আমাদের  এখানে দেয়া সব প্যাকরই কোন ক্ষতিকর প্রভাব নেই। আমরা ১০০ ভাগ নিশ্চিত হয়েই এই বিষয়গুলো আপনাদের উপদেশ দিচ্ছি । কারণ বিভিন্ন জন যারা এটা ব্যবহার করে সেখান থেকে এগুলো পরিক্ষিত। এই প্যাকটি বানাতে আপনার যে যে উপকরণ লাগবে তা হল –

  • চালের গুঁড়া ১ চামচ।
  • কাঁচা দুধ ৩ চা চামচ।
  • বেকিং সোডা এক চামচ।
  • লেবুর রস ১ চা চামচ।
  • সাদা কোলগেট পেষ্ট ১ চা চামচ।
    তবে এই প্যাকটি ব্যবহারের আগে আপনাকে যোনির লোম পরিস্কার করে নিতে হবে। যে জায়গাগুলো কাল সে জায়গায় ভালো করে এই বানানো প্যাকটি ভালভাবে ম্যাসাজ করে করে লাগাতে হবে । লাগানোর পর আপনি সুন্দর করে আস্তে আস্তে মেসেজ করবেন। মেসেজ করার পর এবার গোসল করার জন্য ঠিক আধা ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করব।

অপেক্ষা করার পর নরম কাপড় দিয়ে আস্তে আস্তে সেগুলো পরিষ্কার করে নিবেন। পরিষ্কার করে নেওয়ার পর এভাবে আপনি সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন   ব্যবহার করতে থাকুন। দেখবেন আপনার জায়গা আগের মত পরিস্কার হয়ে গেছে এবং এর উজ্জ্বলতা বেড়ে গেছে বহু গুণে।

ফর্মুলা -০৫: চালের গুড়া ,লেবুর রস,নারকেলতৈল এর পেষ্ট দ্বারা যোনি ফর্সা করা

আপনি ইচ্ছে করলে এই পেস্টটি ব্যবহার করতে পারেন । আপনার যোনি ফর্সা করার জন্য এই পেষ্টটি ভাল কাজে দেবে। আমার জানামতে বেশ কয়েকজন ব্যবহার করেছেন, এবং তারা বেশ ভালো ফল পেয়েছেন । তাই ইচ্ছে করলে আপনিও আপনার ঘরে থাকা আতপ চাল, লেবুর রস এবং নারকেল তেল দিয়ে বানিয়ে নিতে পারেন এই পেষ্টটি।

আর এর জন্য আপনাকে যেভাবে বানাতে হবে তা হলো আপনি প্রথমে নিবেন ২ থেকে ৩ চা চামচ আতপ চালের গুড়া । এর পর নিবেন ৩ থেকে ৪ চা চামচ নারকেল তেল।  আরো নিবেন ৩ চা চামচ লেবুর রস। এবারে গুলো ভালো করে মিশিয়ে পেস্ট বানাবেন।  পেষ্ট গুলো আপনার কাল জায়গায় ভালো করে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করবেন।

তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে পরিষ্কার করে ধুয়ে ফেলবেন। প্রথমে সপ্তাহে তিনদিন করে ২ মাস করবেন । দুই মাসের মধ্যেই আপনি কাঙ্ক্ষিত ফল পেয়ে গেছেন।

ফর্মুলা -০৬: শ্যাম্পুর লাইটিং স্কিনিং প্যাক ব্যবহার করে যোনি ফর্সা করা

এই পেষ্টটা অনেক কার্যকরী। এটার ফল পাওয়া যায় সাথে সাথে। আপনারা যদি এই প্যাকটি ব্যবহার করেন তাহলে দেখবেন এক থেকে দুইবার ব্যবহার করার ফলে আপনার সৌন্দর্য কতটুকু বেড়ে গেছে । আপনি ব্যবহার না করলে বুঝতে পারবেন না, এর উপকারিতা। তাই আপনাকে অনুরোধ করছি বাড়িতে বানিয়ে ফেলুন ঝটপট।

আর বাড়িয়ে ফেলুন আপনার যোনির সৌন্দর্য। আপনাকে দুটো ভাগে এই কাজটি করতে হবে আর তা হলো প্রথমে আপনি যা করবেন তাহলো – প্রথমে আপনি এক প্যাক ক্লিনিক স্যাম্পু নিবেন । তার সাথে নিবেন সাদা কলগেট টুথপেষ্ট ১ চা চামচ । লেবুর রস নিবেন ২ চা চামচ। চালের গুড়া নিবেন ২ চা চামচ।

হলুদের গুড়া নিবেন ১ চা চামচ। এগুলো পেষ্ট করে ভালভাবে মেশানোর পর এবার আপনার প্রাইভেট জায়গায় ভাল করে লাগিয়ে ৪০ থেকে ৫০ মিনিট অপেক্ষা করুন । তার পর নরম গামছা অথবা তোয়ালে হালকা গরম জলে ভিজিয়ে ভাল করে মুছে ফেলুন।

ভালোভাবে মুছার পর দ্বিতীয় ধাপে যা করতে হবে তাহলো আপনি নারকেল তৈল ও লেবুর রস মিসিয়ে আপনার প্রাইভেট জায়গায় লাগাবেন দেখবেন সাথে সাথে আপনার ত্বক কত সুন্দর উজ্জল হয়ে গেছে।

দ্বিতীয় ধাপ শেষ করার ১ থেকে ২ ঘন্টা পর এগুলো ধূয়ে ফেলতে হবে ভাল করে। আর এভাবে যদি আপনি সপ্তাহে ১ থে ২ বার করেন তাহলে অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই আপনার যোনি আগের মত উজ্জল হয়ে গেছে।

ফর্মুলা -০৭: বেসন প্যাক ব্যবহার করুন যোনি ফর্সা করার জন্য

এই ফর্মুলাটি ব্যবহার করতে আপনাকে প্রথমে যা করতে হবে, প্রথমে আপনার প্রাইভেট জায়গার লোম গুলো ভালভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে। এরপর আপনি আপনার প্যাকটি তৈরি করে নিবেন । আর এই প্যাকটি তৈরি করতে আপনার যা করতে হবে তা হল- দুই থেকে তিন চা চামচ বেসন এর সাথে নিতে হবে  এক থেকে দেড় চা-চামচ চিনি।

অ্যালোভেরার জেল  নিবেন ১ চা চামচ । অলিভ অয়েল তেল নিতে হবে ১ চা চামচ।  হাফ চামচ লেবুর রস সবগুলো উপাদান ভালকরে  মিশিয়ে প্যাক তৈরি করতে হবে। প্যাক তৈরি করার পর সেগুলো আপনারা প্রাইভেট জায়গায় ভালভাবে লাগিয়ে ৪৫ থেকে ৫৫ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে ।

এর পর হালকা গরম জলদিয়ে পরিস্কার করতে হব। এভাবে করলে দেখবেন অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই আপনি কাঙ্খিত ফলাফল পেয়ে গেছেন।

(আপনি যদি কৃষি বিষয়ক বিভিন্ন ভিডিও দেখতে চান তাহলে আমাদের এই চ্যানেলটি দেখতে পারেন। যেখানে আপনি পাবেন প্রতিদিনের কৃষি বিষয়ক তথ্য। আর দেরি না করে ক্লিক করুন এখানে)

ফর্মুলা -০৮: যোনি ফর্সা করতে আমলকির ও মেথির গুড়ার ব্যবহার

যদিও এই প্যাকটি তৈরি করতে বেশ কয়েকটি উপাদান লেগে যায়। আবার এর কিছু উপাদান সব সময় পাওয়াও যায় না। তাই  এটা তৈরী করতে একটু কষ্টকর। তবে এটির  সম্পর্কে অনেক ভালো ফলাফলের ফিডব্যাক রয়েছে। অনেকেই এই প্যাকটি ব্যবহার করে অনেক ভাল ফল পেয়েছেন। তাই আপনাকে ব্যবহার করার জন্য পরামর্শ দিচ্ছি ।

আপনি যদি এই প্যাকটি ব্যবহার করে ভাল ফলাফল পান তবে অবশ্যই আমাদের কমেন্টে করে  জানাবেন। এ টি বানানোর জন্য যে উপাদান গুলো আপনার প্রয়োজন হবে সেগুলো হলোঃ

  • ১ চা চামচ আমলকীর গুঁড়া।
  • হলুদের গুঁড়া ১ চা চামচ।
  • এক চা চামচ  লেবুর রস।
  • নারকেল তেল ২ চা চামচ।
  • লেবুর রস ১ চা চামচ।
  • মেথির গুঁড়া এক  চা-চামচ।

এগুলো ভালো করে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন এর পর আপনার যোনিতে এগুলো ভাল করে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট তার পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধূয়ে ফেলুন । এটা প্রথম অবস্থায় সপ্তাহে ২ বার করবেন পরবর্তীতে যোনি ফর্সা হয়ে গেলে মাসে একবার করে করতে থাকবেন দেখবেন আপনার যোনি ফর্সা হয়ে গেছে স্থায়ীভাবে।

শেষ কথাটাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ

যোনি ফর্সা রাখার উপায় লেখায় আমি আপনাদের যতগুলো ফর্মুলা বলেছি সবগুলো হচ্ছে প্রাকৃতিক। এখানে কোন কেমিক্যালের পরশ নেই। তাই আপনার স্বাস্থ্য সু-রক্ষার জন্য আপনাকে সবচেয়ে বেশি ভাবতে হবে । আপনি হয়তো আপনার কষ্টকে কমানোর জন্য বাজার থেকে কেমিক্যাল কিনে এনে ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু সেটা আপনার ত্বকের জন্য অনেক হুমকি হতে পারে।

তাই অবশ্যই কেমিক্যাল থেকে দূরে থাকবেন । প্রাকৃতিক ভাবে আপনারা যোনির রং ফর্সা করার জন্য চেষ্টা করবেন। কারণ এটাতো আমাদের শরীরের সবচেয়ে সংবেদনশীল একটি অংশ। তাই এখানে আপনি কেমিক্যাল ব্যবহার করলে লাভের থেকে ক্ষতির পরিমাণ বেশি হতে পারে। তাই সবসময় স্বাস্থ্য সচেতন থাকুন।

আমাদের এই পোস্টটি পড়ে আপনার যদি উপকার হয়ে থাকে তবে, আপনাদের কাছে একটা অনুরোধ করছি এই পোস্টটি সবার মধ্যে শেয়ার করবেন। যেন সবাই আমরা আমাদের স্বাস্থ্যকে বা আমাদের ত্বককে সুন্দর রাখতে পারি। আরো বেশি নিজেকে আকর্ষনীয় করতে পারি।

আপনি ব্যবহার করার পরে আপনার কেমন হয়েছে এবং কোন ফর্মুলা আপনার সবচেয়ে বেশি কাজে লেগেছে, সে বিষয়ে আমাদেরকে ফিডব্যাক দিবেন। কারন আপনাদের দেওয়া ফিডব্যাক আমাদেরকে পরবর্তী লেখার জন্য উদ্বুদ্ধ করবে। ধন্যবাদ আপনাদেরকে কষ্ট করে এই লেখাগুলো পড়ার জন্য।

আরো পড়তে পারেন:

১. দুধ ম্যাসাজ করার পদ্ধতি

২. কলা খাওয়ার উপকারিতা

৩. রসুন খাওয়ার উপকারিতা।

৪. যৌবন শক্তি বৃদ্ধির উপায়।

. যোনিতে ইনফেকশন হলে করনীয়

Leave a Reply

Your email address will not be published.