Uncategorized
Trending

দুধ ম্যাসাজ করার পদ্ধতি/স্তন ম্যাসাজ করার পদ্ধতি

দুধের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার উপায় / স্তনের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার উপায়

দুধ হলো স্তন্যপায়ী প্রাণীদের শরীরের দুগ্ধ উৎপাদনকারী মাংস পেশি। নারী ও পুরুষ উভয়লিঙ্গেরই স্তন থাকলেও স্ত্রী পারে দুধ উৎপন্ন করতে। এটা শুধু দুধ উৎপাদন কারী মাংস পেশি নয় এটা নারীকে করে তুলে সৌন্দর্যমন্ডিত।  বাড়িয়ে তুলে তার রুপ সৌন্দর্যকে। তাই আদিকাল থেকেই এর পরিচর্যা শুরু হয়েছে।

যৌন মিলনের সময় উত্তেজিত অবস্থায় নারী ও পুরুষের উভয়েরই স্তন ফুলে উঠে এরং এর দ্বারা নারী ও পুরুষগন যৌন সুখ লাভ করে থাকে। আর এই সকল বিষয় বিবেচনা করেই এর  সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য সচেতেন হতে হবে। আর এর জন্য কিছু ব্যায়াম আছে যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।

আজ দুধ ম্যাসাজ করার পদ্ধতি এই লেখার মাধ্যমে আপনাদের জানিয়ে দিব কিভাবে আপনার দুধের  সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে পারেন এবং ঠিক রাখতে পারেন আপনার বডির সাইজ।

দুধের ম্যাসাজ কি ? এটা কেন প্রয়োজন?

এই ম্যাসাজ হচ্ছে দুধের  সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য কিছু ঘরোয়া উপায়। যে গুলোকে আপনি শারীরিক ব্যায়ামও বলতে পারেন।যে ব্যায়াম গুলো কড়লে দুধের আকৃতি সঠিক থাকে দিন দিন বৃদ্ধি পায় এর সৌন্দর্য। অনেক সময় দেখা যায় বয়সের কারণে বা খাওয়া-দাওয়ার কারণে আমাদের শারীরিক কাঠামোর পরিবর্তন হয়।যে পরিবর্তনগুলো ইতিবাচক না হয় নেতিবাচক হয়ে থাকে।

আর এই সময়ে শারীরিক সৌন্দর্যক নষ্ট হতে থাকে, আর এ নিয়ে প্রতিনিয়ত চিন্তায় থাকেন আমাদের নারী সমাজ। আর তাই তারা কিছু ঘরোয়া ম্যাসাজ এর মাধ্যমে তাদের সৌন্দর্যকে বাড়িয়ে তুলতে পারে খুব সহজেই। আর একেই বলা হয় দুধ ম্যাসাজ । এটা শরীরের তথা একটি নারীর সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য খুবই প্রয়োজন।

দুধ ম্যাসাজ করলে কি কি উপকার পাওয়া যায়?

একজন নারী যদি প্রতিদিন নিয়ম করে ম্যাসাজ করে, এবং সেই মেসেজটি যদি হয় সঠিক নিয়মে । আর এর সাথে যদি সে নিয়ম করে ডায়েট কন্ট্রোল করে অর্থাৎ তার খাওয়া-দাওয়া একজন পুষ্টি ডাক্তারের পরামর্শ ক্রমে গ্রহণ করে তবে তার বেশ কিছু শারীরিক পরিবর্তন আসবে । যে পরিবর্তনগুলো তার শরীরের রুপ সৌন্দর্যকে বাড়িয়ে তুলবে আরো বহুগুণে।

আর তাই একজন নারী যদি নিয়মিত  ম্যাসাজ করে তাহলে তার যে পরিবর্তনগুলো হবে তা নিচে তুলে ধরা হলো।

  • তাঁর দুধের সেপ ঠিক থাকবে।
  • স্তন ঝুলে পড়বে না।
  • শারীরিকভাবে সুস্থ্য থাকবে।
  • মানুষ তাকে সহজেই পছন্দ করবে।
  • শরীরের রক্ত চলাচল ভাল থাকবে।
  • শরীরে সহজেই রোগবালাই হবে না।
  • অধিক বয়স পর্যন্ত যৌন সুখ লাভ করতে পারবে।
  • বাচ্চারা বুকের দুধ পাবে।
  • স্বামীর কাছে খুব পছন্দের থাকবে।

দুধ ম্যাসাজ করার পদ্ধতি/স্তন ম্যাসাজ করার পদ্ধতি

দুধ ম্যাসাজ করা বেশ কিছু পদ্ধতি রয়েছে। আমরা যদি যেনতেনভাবে ম্যাসাজ করে সেক্ষেত্রে আমাদের উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি হতে পারে। তাই আমাদের সঠিক পদ্ধতি জানা প্রয়োজন। এটা তখনই আমাদের শরীরের জন্য কাজে আসবে যদি সেটা হয় সঠিক নিয়মে। যদি এর ব্যতিক্রম ঘটে তবে ভালোর পরিবর্তে খারাপের পরিমাণ বেশি হয়ে যেতে পারে।

তাই নিচের পদ্ধতি গুলো সঠিকভাবে অনুসরণ করে আপনি আপনার কাংখিত ফল লাভ করতে পারেন। সেই প্রত্যাশা নিয়ে আপনাদের সামনে তুলে ধরছি বেশ কিছু দুধ ম্যাসাজ করার পদ্ধতি।

দুই হাত ঘষে গরম করে দুধ ম্যাসাজ

প্রথমে আপনার দুই হাত ঘষে গরম করে নিন। তার পর হাত দুটো স্তনের বিচে হালকা চেপে ধরে ডানহাত ঘড়ির কাটার দিকে আর বাম হাতে ঘড়ির কাটার উল্টা দিকের মত ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে নিয়মিত ম্যাসাজ করতে থাকুন। বিশেষ করে সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং রাত্রে ঘুমাতে যাওয়ার আগে রিলাক্স মোডে ১০ থেকে ১৫ মিনিট এভাবে ১০০ বার থেকে ৩০০ বার করতে থাকুন । দেখবেন কিছু দিন পরথেকেই এর সুফল পেতে শুরু করেছেন।

বাথরুমে গোসলের সময় ম্যাসাজ

যখন আমরা বাথরুমে গোসল করতে যাই তখন আমাদের শরীর খুব সতেজ এবং ফ্রেশ থাকে। আর এর জন্য বাথরুমে গোসলের সময় দুধ ম্যাসাজ খুবই কর্যকরী। আর তাই আপনার দুধের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য প্রতিদিন নিয়ম করে এই কাজটি করতে পারেন। আর এর জন্য আপনাকে যে কাজটি করতে হবে তা হলো – প্রথমে আপনার হাত দিয়ে দুধের চারপাশ  ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে আস্তে আস্তে ১০ থেকে ১৫ মিনিট ম্যাসাজ করতে হবে।

আর এর সাথে নিয়ম করে সুষম খাদ্য খেতে হবে এবং থাকতে হবে চিন্তা মুক্ত দেখবেন অল্পকিছুদিনের মধ্যেই আপনার দুধের সাইজ কত সুন্দর হয়ে গেছ। আপনার নিজের কাছেই ভাল লাগবে আপনার ব্রেস্টের সাইজ দেখে।

তৈল বা মধু দ্বারা ম্যাসাজ

আপনার শরীর যদি অনেক বেশি নরম ও তুলতুলে হয়। যার কারনে খালি ম্যাসাজ করতে কষ্ট হয় তার জন্য ব্যবহার করতে পারেন তৈল বা মধু । কারণ আপনি যদি মধু অথবা তৈল ব্যবহার করেন তখন গায়ে কোন প্রকার ব্যাথা পাবেন না। মধু অথবা তৈল দুধের মধ্যে প্রথমে ঢেলে নিন তার পর আস্তে আস্তে চার পাশে টানতে থাকুন এভাবে ৫০ থেকে ১০০ বার করুন।

প্রতিদিন একই নিয়মে এটা করতে হবে। তবে এটা রাতের বেলায় করলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। তাছাড়াও মধুর অনেক গুনাগুন আছে যা শরীরের চামড়ার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে থাকে। মধু বহুকাল ধরেই প্রকৃতিক ভেষজ হিসেবে মানুষের বহুকাজে ব্যাহার হয়ে আসছে। এভাবে কিছু দিন করার পরই দেখতে পাবেন এর উপকারিতা।

বাজারের বিভন্ন দ্রব্য বা জেল দ্বারা ম্যাসাজ/বিউটি পার্লারে বডি ম্যাসাজ

বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন ধরনের দ্রব্য বা জেল পাওয়া যায়। যেটাতে আপনি খুব সহজেই দুধ ম্যাসাজ করতে পারবেন। তবে এর যেমন উপকারিতা রয়েছে তেমনি রয়েছে অপকারিতাও । তাই যদি আপনি এই জাতীয় দ্রব্য দিয়ে দুধ ম্যাসাজ করতে চান তাহলে অবশ্যই ভালো মানের জেল ব্যবহার করতে হবে। তা নাহলে আপনার শরীরে উপকার পরিবর্তে অপকারই বেশি হতে পারে।

এছাড়াও আপনি ইচ্ছে করলে নিয়মিত বিউটি পার্লারে গিয়ে দুধ ম্যাসাজ করিয়ে নিয়ে আসতে পারেন। এটা জেল বা ক্যামিক্যাল দ্রব্য থেকে বেশি কার্যকরী। যদি আপনার কাছাকাছি কোন বিশ্বস্ত বিউটি পার্লার থাকলে সেখানে গিয়ে আপনি প্রতিদিন  দুধ ম্যাসাজ করে নিয়ে আসতে পারেন । এতে করে দেখবেন কিছুদিনের মধ্যে আপনি এর সুফল পাওয়া শুরু করবেন।

ব্যায়ামের মাধ্যমে ও খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে দুধের সৌন্দর্য বৃদ্ধি

আপনি যতই ব্যয়াম বা ম্যাসাজ করেন যদি আপনার খদ্য দ্রব্যের মধ্যে সঠিক মাত্রায় সুষম পুষ্টি না থাকে তাহলে সকল প্রচেষ্টাই ব্যার্থ হয়ে যাবে। তাই শরীরের সঠিক গঠন ঠিক রাখতে খাবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সুষম খাবার এর সাথে যদি প্রতিদিন নিয়ম করে ব্যায়াম করা যায় তবে খুব দ্রুততার সাথে আপনার দুধের সাইজকে সঠিক সেপে নিয়ে আসতে পারবেন। আর তার জন্য যে ব্যায়াম গুলো করবেন তা নিচে দেয়া হলো।

বেঞ্চ প্রেস ব্যায়াম দ্বারা দুধের সৌন্দর্য বৃদ্ধি

আপনি যদি নিয়মিত এই ব্যায়ামটি করেন এক থেকে দুই মাসের মধ্যেই দেখবেন আপনার দুধের সাইজ কত সুন্দর হয়ে গেছে । আর ভাল ফলা ফল পেতে সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে এবং রত্রে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই ব্যায়ামটি করতে পারেন।

বাটারফ্লাই প্রেস ব্যায়াম দ্বারা দুধের সৌন্দর্য বৃদ্ধি

কেউ যদি নিয়ম করে প্রতিদিন এই ব্যায়মটি করতে থাকে এবং এর সাথে সু-ষম পুষ্টিকর খাবার খায় তাহলে দেখা যাবে । এক থেকে দুই মাসের মধ্যেই তার দুধেরে সেপ পরিবর্তন হতে শুরু করেছে। দুধের সাইজ ভাল রাখতে এটা খুবই কার্যকরী একটি ব্যায়ম হিসেবে পরিচিত।

পুশ-আপ(বুক ডাউন) ব্যায়াম দ্বারা দুধের সৌন্দর্য বৃদ্ধি

বুক ডাউন দিলে শরীরের রক্ত সঞ্চালন যেমন বেড়ে যায় তেমনি দুধের সৌন্দর্য বাড়িয়ে তুলে খুবই দ্রুত। তাই যদি কেহ নিয়ম করে প্রতিদিন ৫ থেকে ১৫ বার পশ-আপ করেন তাহলে ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যেই শরীরে দুধের সাইজ সুন্দর হয়ে যায়। এটা একদিকে যেমন দুধের সাইজ সুন্দর করে অন্যদিকে শরীরকে রাখে সুস্থ্য  সবল ।

(কৃষির সকল আপডেট তথ্য পেতে ক্নিক করুন আমাদের এই চ্যানেলে)

শেষকথাবলে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়:

আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি আপনি যদি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত আমার এই লেখাটি পড়ে থাকেন তাহলে বিষয়টি ভালভাবে জানতে পেরেছেন। তাই বিষয়টি ভাল লাগলে আপনার বন্ধু বান্ধবের সাথে শেয়ার করবেন। এবং আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের কমেন্স সেকশনে লিখবেন ।পরবর্তীতে আপনার প্রশ্নের উত্তর দিব।

এছাড়াও আপনার যদি অন্যকোন বিষয়ে জানার আগ্রহ থাকে তাহলে আমাদের জানাতে পারেন। পরবর্তীতে আপনার চাহিদা অনুযায়ী লেখা দিব। ধন্যবাদ কষ্ট করে লেখাটি পড়ার জন্য।

আরো পড়ুন-

১. কাজু বাদাম খাওয়ার উপকারিতা

২. মধু খাওয়ার উপকারিতা

৩. যৌনাঙ্গ বৃদ্ধির উপায়।