Uncategorized
Trending

ধর্ষণ নিয়ে উক্তি কবিতা ও প্রতিবাদ

Dorson nia ukti

ধর্ষণ নিয়ে উক্তি  যতই দিন যাচ্ছে মানব সভ্যতা আরো যেন অসভ্য হয়ে উঠেছে । সমাজে বেড়ে যাচ্ছে দর্শনের প্রবণতা। মানব জাতির মধ্যে

মানবতাবোধ যেন ‍দিন দিন আরো কমে যাচ্ছে। কিছু মানুষ হয়ে যাচ্ছে অ-মানুষ মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয় হচ্ছে দিন

দিন। উন্নত বিশ্ব থেকে শুরু করে গরীব দেশসমূহেও এর ব্যতিক্রম নয়। প্রতিটি দেশে যেন দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে ধর্ষণ।

আমরা যত চেষ্টা করতেছি সভ্যতায় ফিরে যাওয়ার জন্য, আমরা যেন নিজেকে আরও অসভ্য করে গড়ে তুলছি। আর তারই

প্রতিফলন হিসেবে দেখা দিচ্ছে দর্শনের প্রবণতা। আমরা ক্ষণিকের জন্য ভুলে যাই আমরা যাদেরকে ধর্ষণ করি, তারাও

আমাদের সমাজের। তারাও আমাদের মা-বোন। তাই আসুন আজকে দর্শন নিয়ে কিছু উক্তি লিখব, এবং কবিতা লিখবো

যেগুলো আমরা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ কমানোর চেষ্টা করবো। এই

স্লোগান কবিতা গুলো ভাল লাগলে সবার সাথে শেয়ার করে ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ কে সমাজ থেকে চিরতরে মুক্ত

করার জন্য সংগ্রামে লিপ্ত হবেন, এ প্রত্যাশা রেখে আজকের লেখা শুরু করছি।

ধর্ষণ কাকে বলে/রেপ করা কাকে বলে /বলাৎকার কাকে বলে

ধর্ষণ এক ধরনের যৌন অত্যাচার যা সাধারণত একজন ব্যক্তির অনুমতি ছাড়াই তার সঙ্গে যৌনসঙ্গম বা অন্য কোনো

ধরনের যৌন অনুপ্রবেশ ঘটানোকে ধর্ষণ বলা হয়। ধর্ষণ শারীরিক বলপ্রয়োগ, অন্যভাবে চাপ প্রদান কিংবা কর্তৃত্বের

অপব্যবহারের মাধ্যমে সংঘটিত হতে পারে। অনুমতি প্রদানে অক্ষম যেমন- কোনো অজ্ঞান, বিকলাঙ্গ, মানসিক প্রতিবন্ধী

কিংবা অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি এরকম কোনো ব্যক্তির সঙ্গে যৌনমিলনে লিপ্ত হওয়াও ধর্ষণের আওতাভুক্ত । ধর্ষণ শব্দটির

প্রতিশব্দ হিসেবে কখনো কখনো ‘যৌন আক্রমণ’ শব্দগুচ্ছটিও ব্যবহৃত হয়।

ধর্ষণ এর প্রভাব

ধর্ষণের শিকার ব্যক্তিরা মানসিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হতে পারে এবং আঘাত-পরবর্তী চাপ বৈকল্যে আক্রান্ত হতে পারে।

এছাড়া ধর্ষণের ফলে গর্ভধারণ ও যৌন সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির পাশাপাশি গুরুতরভাবে আহত হওয়ারও

সম্ভাবনা থাকে। তাছাড়া, ধর্ষণের শিকার ব্যক্তি ধর্ষকের দ্বারা, এবং কোনো কোনো সমাজে ভুক্তভোগীর নিজ পরিবার ও

আত্মীয়স্বজনের দ্বারা সহিংসতার শিকার হতে পারে। যার ফলে পরিবারে দেখা যায় অশান্তি।

গণধর্ষণ কাকে বলে

যখন একাধিক ব্যাক্তি কর্তৃক একজন পুরুষ বা মহিলাকে তার ইচ্ছার ব্যাতিরেখে তাকে জোর পূর্বক যৌন অত্যাচার করে

তখন তাকে গণধর্ষণ বলে। আরো সহজ কথায় বলতে গেলে যখন একাধিক ব্যাক্তি কাউকে জোর করে যৌন অত্যাচার করে

তখন তাকে গনধর্ষণ বলে।

ধর্ষণ নিয়ে উক্তি

ধর্ষণের ক্ষতি কতটুকু ভয়াবহ তারাই শুধু বুঝতে পারে, যারা এই ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। আর তাই আমরা চাইনা

পরবর্তীতে আবার কেউ এই ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হোক। কারণ এটি এমন একটি সমস্যা যেই মা বা বোন ধর্ষিত হয়

পরবর্তীতে তারা সমাজের কাছে ঘৃণিত হয়। যারা ধর্ষণ করে তারা নির্দ্বিধায় সমাজে মাথা উঁচু করে বসবাস করে। অথচ যারা

এ ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয় তারাই মাথা নিচু করে বসবাস করতে হয় সমাজে। এখানে কিছু উক্তি দিব যে উক্তিগুলোর

মাধ্যমে ওইসব পশুদের লজ্জা দেওয়া যেতে পারে । যাতে করে তারা এ ধরনের খারাপ কাজে লিপ্ত না হয়।

  • যদি কেহ জোর পূর্বক দর্ষণ করে তবে তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড দেয়া উচিৎ।
  • অনেক সময় ইচ্ছা কৃতভাবে যৌন কাজে মিলিত হবার পরেও তাকে ধর্ষণ বলে চালিয়ে দেয়া হয়। যা মটেই ঠিক নয়।
  • প্রতিটা রেপ হবার পিছনে কোন একটি কারণ থাকে যা প্রকাশ পায় না।
  • প্রতিটা রেপ কারিকে সমাজ থেকে বের করে দেয়া প্রয়োজন। কারণ তারা সমাজ তথা জাতিকে কলূষিত করে।
  • রক্তে যাদের লুচ্ছামির স্বভাব তারা কি করে আর ভাল হয়।

ধর্ষিতা নিয়ে উক্তি

যে সকল মা বোন ধর্ষণের শিকার হয় তাদের অবস্থা খুবই খারাপ থাকে। আর তাদের পাশে এসে সহানুভূতি জানানোর লোক

পর্যন্ত অনেক সময় পাওয়া যায় না। আর সেই সকল মা বোনদের সহানুভূতি জানানোর জন্য এখানে দেয়া হলো বেশ কিছু

ধর্ষিতা নিয়ে উক্তি যেগুলো আপনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে ভুক্তভোগীদের পাশে দাঁড়াতে পারবেন।

এছাড়াও আপনি একটু হলেও তাদের সাত্বনা দিতে পারবেন।

  1. আমরা সবসময় যে ধর্ষণ হয় তাকেই পরবর্তীতে ঘৃণা করা হয় । যা একজন ভূক্তভোগীর জন্য খুবই লজ্জাজনক।
  2. প্রতিটা রেপ হওয়া মা বোন কে তাদের সমাজে সন্মান হানি যেন না করতে পারে তার ব্যবস্থা করা দরকার।
  3. মুখে যতই আমরা বড় কথা বলি না কেন দিন শেষে ক্ষমতাবান দের কথাই সব হয়। আর ধর্ষিতা মুখ বুঝে সব সহ্য করতে হয়।
  4. আইন দিয়ে নয় ভালোবাসা দিয়ে রেপ হওয়া মা বোন দের রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।
  5. যে এই ধরণের ক্ষতির সন্মুখিন হয় সে খুব অসহায় থাকে।

ধর্ষিতা নিয়ে কবিতা

কবিতার মাধ্যমেও এই অপরাধের প্রতিবাদ করা যায়। যদি আপনার আশেপাশে এই ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে আর আপনি

যদি তার প্রতিবাদ করার জন্য বিভিন্ন উপায় খুঁজে বেড়ান তবে এই কবিতা হতে পাবে এর অন্যতম একটি মাধ্যম। এই

কবিতাটি সবার সাথে শেয়ার করার মাধ্যমে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তুলতে হবে।

 হায়েনার দল কবিতা
সাইফুল ইসলাম

ওরা কিছু হায়নার দল আসলো আমার কাছে।
অসহায় পেয়ে আমাকে ওরা ক্ষেতে চায় যেন ছিরে।
কেমন করে করবো বারণ ওরা কুত্তার দল।
আমায় ওরা জোর করে তুলে নিয়ে করল রসা তল।
হারিয়ে আমি নিজের সম্ভ্রব নষ্ট সমাজের চোখে।
কেমন করে  বলবো বলো কথা নাই যে মুখে।
ঘর হতে যেই বের হই এখন মানুষ খারাপ বলে
জীবন আামর নষ্ট্য হলো একাজ হবার ফলে।
এখন শুধু প্রহর গুনি বাঁচতে চায় না আর মন
জীবন প্রদীব নিবাতে চাই, আসুখ সেই শুভ ক্ষণ।
মরার পরেও জীবনটাতে রয়ে গেল ক্ষোভ
আজীবন কি থেকে যাবে ওদের নারীর প্রতি লোভ।

ধর্ষনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ স্লোগান

বিভিন্ন ধরনের প্রতিবাদ স্লোগানের মাধ্যমে আমরা অনেক সময় ধর্ষণের প্রতিবাদ করে থাকি। আর এর জন্য প্রয়োজন খুব

সুন্দর সুন্দর স্লোগান যা এখানে আপনাদের জন্য উপস্থাপন করা হলো। এই স্লোগান গুলো একদম নতুন এবং আনকমন ।

আপনি আর কোথাও এই স্লোগান গুলো দেখতে পাবেন না। তাই আপনিি এই সবার সাথে শেয়ার করে প্রতিবাদ করতে

পারেন এই ধরনের খারাপ কাজ যারা করে তাদের বিরুদ্ধে।

একজন করে ধর্ষক ধর
ধইরা ধইরা জেবেহ কর।

ধর্ষণ এর শাস্তি একটাই
এর বদলে তার জীবন চাই।

আসুন সবাই ধর্ষণ কারীকে
এর সাথে যারা জড়িত তাদের প্রত্যাখান করি।

প্রতিটা ধর্ষণের বিপরিতে
দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দেয়া উচিত।

ধর্ষণ নিয়ে উক্তি এর শেষ অনুরোধ

জানিনা উপরোক্ত ধর্ষণ নিয়ে উক্তি লেখাটি আপনাদের কেমন লেগেছে? তবে আপনাদেরকে এতটুকু বলতে পারি দর্শন হচ্ছে একটি জঘন্য

অপরাধ। দর্শন হচ্ছে একটি সমাজকে সবথেকে খারাপ অবস্থানে নেওয়ার একটা মাধ্যম। তাই আমরা সব সময় নিজেকে

এই ধরনের জঘন্য অপরাধ থেকে দূরে রাখার জন্য সচেষ্ট থাকব, এবং সমাজে যেন এই ধরনের অপকর্ম না হতে পারে

সেদিকে সজাগ থাকবো । তবেই ভালো থাকবে আমাদের পরিবার, ভালো থাকবে আমাদের সমাজ । সর্বোপরি ভালো থাকবে

আমাদের দেশ। সবাই মিলেমিশে সুন্দর থাকবো, দেশটাকে আরো সুন্দর করে গড়ে তুলতে প্রত্যাশা নিয়ে আজকের মত

শেষ করছি ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন।

আরো পড়তে পারেন

১. টাকা নিয়ে উক্তি ও কাকে বলে।

. টাকা কাকে বলে?

. জুমা মোবারক স্ট্যাটাস

৪. পরকীয়া প্রেম নিয়ে উক্তি

৫. স্কুলের বন্ধুদের নিয়ে উক্তি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *